সৌদি আরব নীরবে দেশটির একমাত্র মদ বিক্রির দোকানের প্রবেশাধিকার বাড়িয়েছে। এখন ধনী বিদেশি বাসিন্দারা দোকানটি থেকে মদ কিনতে পারবেন।
অমুসলিম
ইসলামে জীবন রক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রোগ হলে চিকিৎসা গ্রহণ করা নবীজির সুন্নত। নবী কারিম (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহ এমন কোনো রোগ পাঠাননি যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি।
কাগজে-কলমে এখনও সৌদি আরবে মদ্যপান এবং মদ কেনা-বেচা নিষিদ্ধ। তবে গত বেশ কিছুদিন ধরে দেশটিতে অনেকটা নীরবে, অঘোষিতভাবে মদের কেনা-বেচা চলছে।
কারো মৃত্যুর সংবাদ শুনলে আমরা ইন্নালিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন পড়ি। যার অর্থ আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং তার কাছেই ফিরে যাবো। এই বার্তা বা বাক্যটি কি কোনো অমুসলিমের মৃত্যুতেও পড়া যাবে?
সালাম ইসলামি অভিবাদন; যা শান্তি, দোয়া ও ভালোবাসার বার্তা বহন করে। মুসলমানরা একে অপরকে সালাম দিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করে। এটি শুধুই সামাজিক সৌজন্য নয়; বরং নবী-রাসুলদের মহান সুন্নত।
ইসলাম সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ ও শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। কোরআন ও সুন্নাহতে মুসলমানদের শুধু নিজেদের মধ্যে নয়; বরং অমুসলিমদের সঙ্গেও ন্যায়, সদাচার ও মানবিক আচরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসলাম ধর্ম পালনে স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো জবরদস্তি নেই বলে ঘোষণা করেছে। এর মাধ্যমে প্রতীয়মান হয়, ইসলামী সমাজব্যবস্থা সর্বজনীন কল্যাণে সমৃদ্ধ এবং ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট।
এ দেশের মানুষের ভেতর যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা রয়েছে, পৃথিবীজুড়ে এর দৃষ্টান্ত বিরল। এই সম্প্রীতির মাঝেও যে নানা সময়ে সাম্প্রদায়িক ভুল-বোঝাবুঝি হয়নি, তা বলা যাবে না।
সাধারণত কোনো মুসলিম মারা গেলে আমরা ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পড়ে থাকি। এর অর্থ হলো—‘নিশ্চয় আমরা আল্লাহর কাছ থেকেই এসেছি এবং আমাদেরকে তার কাছেই ফিরে যেতে হবে’। অমুসলিমের মৃত্যুতেও ‘ইন্নালিল্লাহ’ বলা যাবে।
ইসলামে মানবতার সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে যাকাত বিতরণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু বিধান রয়েছে।
বিয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক পবিত্র বন্ধন। বিয়েতে আল্লাহ ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশের অনুসরণ করা প্রত্যেক মুসলমানের ইমানি দায়িত্ব। এ ব্যাপারে ধর্মীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।