নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চলনালী গ্রামে অ্যানথ্রাক্স (তড়কা) রোগে আক্রান্ত গরুর মাংস খেয়ে ১০ থেকে ১২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আক্রান্তদের শরীরে ফোড়ার মতো ক্ষত ও ফোলা দেখা
অ্যানথ্রাক্স
রংপুর জেলায় অ্যানথ্রাক্স পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। এবার নতুন করে পীরগঞ্জ উপজেলায় ছয়জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন পাঁচজন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে গত রবিবার আরো একজনের নমুনা নেওয়া হয়।
রংপুরে গত দুই মাসে অ্যানথ্রাক্স রোগে মারা গেছে শতাধিক গরু। শুধু তাই নয়, এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। পশুবাহিত এই রোগ অনেকটা অসচেতনতার কারণেই ছড়িয়ে পড়ছে মানুষের শরীরে। রংপুর ছাড়াও এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে মেহেরপুরসহ কয়েক জেলায়।
দেশের উত্তরাঞ্চলে নতুন আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে অ্যানথ্রাক্স। মূলত গবাদি পশুর দেহে হওয়া রোগ এটি। কিন্তু বর্তমানে মানবদেহে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে রোগটি। নতুন করে আটজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু পাওয়া গেছে।
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় নতুন করে আরও দুজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে। এর আগে পীরগাছা উপজেলায় ৮ ও মিঠাপুকুর উপজেলায় ১ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছিল।