আত্মীয়তা

ইসলাম আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে

ইসলাম আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা মানে রক্ত ও বৈবাহিক সূত্রে যাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক আছে, সম্পর্ক অনুযায়ী তাদের খোঁজ-খবর রাখা, তাদের সাথে সদাচরণ করা, বিপদ আপদে তাদের পাশে দাঁড়ানো, সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করা। 

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্কের গুরুত্ব

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্কের গুরুত্ব

আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা জাহান্নামে যাওয়ার অন্যতম এক কারণ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘ক্ষমতা লাভ করলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীতার বন্ধন ছিন্ন করবে।
এদের প্রতি আল্লাহতায়ালা অভিসম্পাত করেন, অতঃপর তাদের বধির ও দৃষ্টি শক্তিহীন করেন। ’ -সূরা মুহাম্মদ : ২২-২৩

আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার পাঁচ পুরস্কার

আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার পাঁচ পুরস্কার

আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে বন্ধন সুদৃঢ় করতে উৎসাহিত করে ইসলাম। ইসলাম আত্মীয়- স্বজনের সঙ্গে সদাচারের নির্দেশ দিয়েছে। এটি ইসলামের সামাজিক শিক্ষার একটি মৌলিক দিক।

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব

ইসলাম আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করেছে। অবশ্য এই আত্মীয়তা দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, মাতা ও পিতার দিক থেকে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা।

আত্মীয়তা রক্ষায় জীবন-জীবিকা সমৃদ্ধ হয়

আত্মীয়তা রক্ষায় জীবন-জীবিকা সমৃদ্ধ হয়

আত্মীয়-স্বজন সমাজবদ্ধ জীবনের অবিচ্ছেদ অংশ। আত্মীয়তার সুসম্পর্ক বন্ধন ছাড়া স্বাভাবিক ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন যাপন অসম্ভব। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনের প্রতিটি ধাপে আত্মীয়-স্বজনের ভূমিকা সর্বতোভাবে জড়িত।

আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা

আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা

পবিত্র রমজান মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাস। এ মাসে এমন সব কাজে আত্মনিয়োগ করা উচিত, যেগুলোর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা, তাদের খোঁজখবর রাখা তেমনই একটি ফজিলতের কাজ। 

আত্মীয়তা রক্ষায় জীবনে বরকত হয়

আত্মীয়তা রক্ষায় জীবনে বরকত হয়

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য এমন জীবনব্যবস্থা রেখে দিয়েছেন, যা মানুষকে ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির পথ বাতলে দিয়েছে।