বৃষ্টি কমায় ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কমেছে নদ-নদীর পানি। জেলার অনেক জায়গা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বেশ কিছু এলাকা।
- নিখোঁজ নয়, আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান : পুলিশ
- * * * *
- সকাল ৯টার মধ্যে ১১ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
- * * * *
- নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে শুল্ক-কর ছাড় যুগান্তকারী উদ্যোগ: অ্যাকশনএইড
- * * * *
- কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়
- * * * *
- সুন্দরবনে অপহরণের ৩ দিন পর বনবিভাগের বেতার চালকসহ তিনজনের মুক্তি
- * * * *
আশ্রয়কেন্দ্রে
ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা থেকে দখলদার ইসরায়েলের সবাইকে নতুন করে আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুন) রাতে দখলদারদের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে বলেছে,
লেবাননে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস বৈরুত নিয়মিতভাবে প্রবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে যাচ্ছে।গতকাল সোমবার (৭ অক্টোবর) দূতাবাসের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নোয়াখালী প্রতিনিধি:নোয়াখালীতে টানা বৃষ্টি ও উজানের পানিতে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। এখনো জেলার ৮টি উপজেলার ৮৭টি ইউনিয়নের ২১ লাখ ২৫ হাজার ৫শত মানুষ পানি বন্ধি রয়েছে। ১৩০৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২লাখ ৬৪হাজার ৭৪৩জন মানুষ আশ্রিত রয়েছে। এখন নতুন করে অনেক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র মুখি হচ্ছেন। তবে কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে কথা বলে জানা গেছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে নুতন করে মানুষ উঠার জায়গা নেই। তাই অনেকেই বাধ্য হয়ে পানি বন্দি অবস্থায় রয়েছে।
লক্ষ্মীপুরে আশ্রয়কেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে আব্দুল মালেক (৭০) নামে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন।
কুমিল্লায় ভয়াবহ বন্যায় ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন প্রায় ৬৭ হাজার মানুষ। সেখানে খাদ্য সহায়তা এলেও শিশুদের জন্য রয়েছে খাদ্য সংকট। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা।রোববার (২৫ আগস্ট) কুমিল্লার বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।
সিলেটে বাড়ছে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা। জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে ৭টিতে বন্যা দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে পাঁচটির অবস্থা ভয়াবহ। জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭ উপজেলায় ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন বন্যাকবলিত হয়েছেন।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে উপকূলীয় শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলাসহ সাতক্ষীরা জেলার সর্বত্র টানা বৃষ্টির সাথে দমকা হাওয়া বইছে। একই সাথে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে নদ-নদীর পানি ৩ থেকে ৪ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন্যাকবলিত সিলেটে ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। সিলেট জেলা প্রশাসন সূত্র অনুযায়ী, সিলেট জেলায় এখন ৪৩৯টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে যেখানে এখনো ৩৭ হাজার ১৭৬ জন মানুষ অবস্থান করছেন।