ক্যালসিয়াম আমাদের হাড় ও দাঁত মজবুত করে। পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের পেশিসহ অন্যান্য পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন ডায়েটে নির্দিষ্ট মাত্রায় ক্যালশিয়াম রাখা খুব জরুরি।
- জলপাইগুঁড়িতে স্ত্রীকে হত্যার পর কীটনাশক খেয়ে স্বামীর আত্মসমর্পণ
- * * * *
- মালেশিয়ায় সাপ ধরার কৌশল প্রদর্শনীতে কর্মকর্তার মৃত্যু
- * * * *
- ভেনেজুয়েলায় টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, বিপর্যস্ত জনজীবন
- * * * *
- উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙল চীনা হিউম্যানয়েড রোবট
- * * * *
- নবনিযুক্ত খাদ্যমন্ত্রীর প্রথম কর্মদিবসে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়
- * * * *
ক্যালসিয়াম
আমরা অনেকে ক্যালসিয়ামের অভাব হাড়ে হাড়ে টের পাই। সিঁড়ি ভাঙতে গেলে, একটু হাঁটাহাটি করতে গেলে কুঁকড়ে উঠি ব্যথায়, পা আর চলে না।
হাড় শক্তিশালী রাখার জন্য ক্যালসিয়াম ভীষণ জরুরি। পেশী সংকোচন ও রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে খনিজটি।
শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান ক্যালসিয়াম। এটি শক্তিশালী হাড় বজায় রাখতে, অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে, পেশি সংকোচন করতে এবং স্নায়ু সংক্রমণের মতো গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক ক্রিয়াকলাপগুলোকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে তাকে হাইপোক্যালসেমিয়া বলা হয়। এতে সারা শরীর জুড়ে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলোতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে।
সাধারণত আমরা শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটানোর জন্য দুধকেই আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখি। কিন্তু আবার অনেকেই দুধ খেতে পছন্দ করেন না। তাদের শরীরের তো ক্যালসিয়ামেরও প্রয়োজন।
১৯ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের প্রতিদিন ন্যূনতম ১০০০ মি.লি. গ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। আর হাড় যেহেতু বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুর্বল হতে থাকে, সেহেতু নারীদের বয়স ৫০ পার হওয়ার পর আর পুরুষের বয়স ৭০ পার হওয়ার পর দৈনিক ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে হবে ১২০০ মি.লি. গ্রাম।