রংপুরসহ আশপাশের এলাকায় কয়েকদিন ধরে ঘরের মেঝে কিছুটা ‘অস্বাভাবিকভাবে ভেজা বা ঘামার’ ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ একে ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন।
রংপুরসহ আশপাশের এলাকায় কয়েকদিন ধরে ঘরের মেঝে কিছুটা ‘অস্বাভাবিকভাবে ভেজা বা ঘামার’ ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ একে ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন।
গরমে বাইরে বের হলেই শরীর ঘামে ভিজে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘামের নিজস্ব কোনো দুর্গন্ধ নেই। কিন্তু ঘাম ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে মিশে গেলে তখনই বিরক্তিকর গন্ধ তৈরি হয়।
ঈদ শেষ হয়েছে মাত্র কয়েক দিন। প্রকৃতির মেজাজ এখন অস্থির; সকালে কড়া রোদে গলদঘর্ম অবস্থা, আর বিকেলে হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে জলমগ্ন পথঘাট। রোদ-বৃষ্টির এই লুকোচুরিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় পোশাক নিয়ে।
অনেকেই এই সমস্যায় ভুগে থাকেন, ঘুমের ভেতরে ঘাম হওয়ার সমস্যা সাধারণ মনে হলেও আসলে সব সময় তা সাধারণ না-ও হতে পারে। ঘন ঘন রাতের ঘাম হরমোনের পরিবর্তন, সংক্রমণ, মানসিক চাপ, রক্তে শর্করার ওঠানামা অথবা ঘুমের ব্যাধির ইঙ্গিত দিতে পারে।
শিরোপা রক্ষার লড়াইয়ের শুরুতেই বিপদে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সেটাও আবার যুক্তরাষ্ট্রের মতো নবীন দলের বিপক্ষে। তবে শেষমেশ সে ধাক্কা কাটিয়ে ভারত পেয়েছে ২৯ রানের কষ্টার্জিত জয়।
শীত মানেই হিমেল বাতাস, কনকনে ঠান্ডা। একটু গরম পেতে অনেকেই গরম পানীয়তে চুমুক দেন, গরম পোশাক পরেন। এরপরও কিছু মানুষ শীতের সময়েও অস্বস্তিকরভাবে ঘেমে যান। ব্যাপারটা অদ্ভুত লাগলেও এর পেছনে কিছু বাস্তব কারণ রয়েছে।
গরম থেকে স্বস্তি পেতে অনেকেই ঘন ঘন ওয়েট টিস্যু দিয়ে মুখ মুছতে থাকেন। তবে এর ফলে সাময়িক স্বস্তি পেলেও এই ওয়েট টিস্যুর বেশি ব্যবহার করা মোটেই উচিত নয়। এতে উপকারের থেকে অপকারই বেশি হতে পারে।
প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল, তবে কেভিন ডে ব্রুইনা বদলি হিসেবে নেমে গোল করে সিটিজেনদের ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন।
শীত প্রায় শেষ দিকে। দিন যত বাড়ছে, গরমও তত বাড়ছে। আর গরম যত বাড়ছে, শরীরও তত ঘর্মাক্ত হচ্ছে। এ সময় অনেকের শরীর হালকা ঘামেই দুর্গন্ধ হয়ে যায়।
অতিরিক্ত গরম সব সময়ই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত তাপ যে কোনো বয়সের বিশেষ করে শিশু ও যাদের বয়স ৬০-এর কাছাকাছি বা তার চেয়ে বেশি তাদের ঝুঁকি এ সময় সবচেয়ে বেশি থাকে।