মহাকাশে ধসে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা একটি পুরোনো টেলিস্কোপকে রক্ষা করতে রোবোটিক মহাকাশযান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। জটিল এই অভিযানটি কয়েক মাস ধরে চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টেলিস্কোপ
মহাকাশ মানেই স্থির—এমনটাই আমরা ভাবি। কিন্তু বাস্তবটা ভিন্ন। আকাশের এক কোণে এখনও ছুটে চলছে এক ভয়ংকর বিস্ফোরণের চিহ্ন। প্রায় এক হাজার বছর আগে এক তারা বিস্ফোরিত হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণের ধোঁয়া-গ্যাস আজও ছড়িয়ে যাচ্ছে মহাশূন্যে।
আকাশের দিকে তাকালেই কি কখনো মনে হয়, মহাকাশ যেন কিছু বিশেষ দেখাতে চাইছে? আসছে ১০ জানুয়ারি সেই সুযোগই দিচ্ছে সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি। এদিন রাতে বৃহস্পতি থাকবে তার বছরের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও বড় অবস্থানে। নাসা জানিয়েছে, এ দৃশ্য সহজেই খালি চোখে দেখা যাবে।
বাগেরহাটে প্রথমবারের মতো টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাকাশ, চাঁদ, তারা ও গ্রহ দেখেছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
দূরবর্তী মহাজগতের শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য দিয়ে বিশ্বকে স্তম্ভিত করার এক বছর পর বুধবার নাসা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ থেকে একটি নতুন চিত্র উন্মোচন করতে যাচ্ছে।
বিজ্ঞানের জগতে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি– এই মহাবিশ্ব কী দিয়ে তৈরি? উত্তর খুঁজতে ইউরোপীয় একটি টেলিস্কোপ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
দীর্ঘ তিন দশক ধরে হাবল স্পেস টেলিস্কোপের লেন্সে ধরা পড়েছে বহু অভূতপূর্ব মহাজাগতিক দৃশ্য। এবার হাবলের চেয়েও শক্তিশালী একটি টেলিস্কোপকে মহাকাশে পাঠাতে চলেছে নাসা।