আত্মশুদ্ধি ও পরিশুদ্ধ জীবনই হলো ইহকালীন ও পরকালীন সফলতার মূল চাবিকাঠি। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘সে-ই সফলকাম যে তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করেছে এবং সে-ই ব্যর্থ যে তার আত্মাকে কলুষিত করেছে।’
- পোলাও-বিরিয়ানির পর ফল খাওয়া কেন বিপজ্জনক, জেনে নিন
- * * * *
- গর্ভধারণ থেকে প্রসব, যেসব টেস্টগুলো জরুরি
- * * * *
- কেরানীগঞ্জে ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার ১
- * * * *
- পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণ করবে ডিএসসিসি: প্রশাসক
- * * * *
- মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত
- * * * *
পরিশুদ্ধ
ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য অন্তরের পবিত্রতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ মহান আল্লাহর দরবারে মানুষের যে দুটি জিনিস উত্থিত হয়, তার একটি হলো, পরিশুদ্ধ অন্তর, আর আরেকটি হলো আমল।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে; সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের অপূর্ব সুযোগ হয়।
একজন মুমিনের জন্য সবসময় পবিত্র থাকা জরুরি। মুমিন সবসময় তার অন্তর পবিত্র রাখার চেষ্টা করে। কেননা অন্তর পবিত্র বা পরিশুদ্ধ না থাকলে ভালো কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় না।
ইসলামের মৌলিক স্তম্ভগুলোর মধ্যে নামাজ অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত। যে পাঁচটি ভিত্তির ওপর ইসলাম দাঁড়িয়ে আছে এর মধ্যে নামাজ দ্বিতীয়।
মো. আবদুল মজিদ মোল্লা: পরকালে বিশ্বাস ঈমানের অপরিহার্য অংশ। পরকালের বিশ্বাস ও ভয় মানুষকে পরিশুদ্ধ জীবনযাপনে সাহায্য করে।
দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার জন্য আত্মার পবিত্রতা অর্জনের বিকল্প নেই। মানুষের আত্মা যখন পৃথিবী ছেড়ে পরকালে যাত্রা করে, তা পবিত্র হলে মহান আল্লাহ ফিরিশতাদের মাধ্যমে তাকে বিশেষ সংবর্ধনা দেন। জান্নাতে অপবিত্র জিনিসের জায়গা নয়, তাই জান্নাতে প্রবেশ করতে হলেও আত্মাকে পবিত্র করতে হবে।