বিটরুট সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সবজির মধ্যে অন্যতম। কম ক্যালোরি সমৃদ্ধ এবং পুষ্টিকর সুপারফুড বিটরুট। যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজে সমৃদ্ধ। যদিও এই সবজিটি সবারই খাওয়া উচিত, তবে এর অসাধারণ উপকারিতার জন্য বিশেষ করে মহিলাদের বিটরুট খাওয়া আবশ্যক।
বিটরুট
বিটরুট পরোটা খেতে সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকরও। ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর বিটরুট অনেকেই ‘সুপারফুড’ হিসেবে মনে করেন।
টকটকে রানি গোলাপী রঙের বিটরুট এখন স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় বেশ জনপ্রিয়।
দাগছোপহীন উজ্জ্বল ত্বক-কার না ভালো লাগে! কিন্তু এমন ত্বক পাওয়া মোটেও সহজ নয়। বিশেষ করে শীতকালে ব্রণ ও দাগছোপের প্রবণতা বেড়ে যায়, ফলে ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ ও নিস্তেজ।
শীতের মৌসুমে বাজারে পাওয়া যায় রসাল ও গাঢ় লাল রঙের বিটরুট। শুধু রঙেই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর এই সবজি।
বিটরুটের জুস এমন একটি পানীয় যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে।
স্মুদি এখন সুস্বাদু পানীয় হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। সাধারণত সব ধরনের ফল, সবুজ শাকসবজি, দুধ, বাদাম, মধু দিয়ে সমন্বয়ে তৈরি হয়।
বিটরুটের রস একটি শক্তিশালী পানীয় যা প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ এবং নাইট্রেট, ফোলেট, আয়রন এবং বিটালাইনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমিয়ে হৃদরোগ দূরে রাখে।
ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর বিটরুট এখন সবার কাছেই পরিচিত।
শরীর ভালো রাখার প্রথম শর্ত পেট পরিষ্কার রাখা। আর পেট পরিষ্কারের জন্য সবচেয়ে উপযোগী পানীয় হচ্ছে ফলের রস।