থাইল্যান্ডে ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত মাংকিপক্স (এমপক্স) আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে।
মাংকিপক্স
চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের তৈরি মাংকিপক্সের (এমপক্স) একটি ভ্যাকসিনকে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে চীনের শীর্ষ ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মাংকিপক্স ভাইরাস শনাক্তকরণে সক্ষম যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টার।
যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৩১ জন শিশু মাংকিপক্সে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৯ জনই টেক্সাসের শিশু বলে জানিয়েছে এবিসি নিউজ।
মাংকিপক্সে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে আমেরিকায়। দেশটির টেক্সাস প্রশাসন এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে বলা হচ্ছে সারা বিশ্বে এবছরের জুলাই মাস পর্যন্ত মাংকিপক্স ভাইরাসের প্রায় ১৪,০০০ সংক্রমণ ধরা পড়েছে এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেয়েসুস শনিবার মাংকিপক্সের প্রাদুর্ভাব বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছেন৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি কমিটির সদস্যরা অবশ্য সবাই এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হননি৷ জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার কোনো কর্তাব্যক্তি এই প্রথম এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিলেন৷
প্রশ্ন উঠেছে বিরল এই রোগ কতটা ভয়ংকর? বিশেষজ্ঞদের মতে, মাংকিপক্স কখনো কখনো গুরুতর হতে পারে। পশ্চিম আফ্রিকায় এই রোগে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
পৃথিবীর অন্তত ১২টি দেশের ৮০ জনেরও বেশি লোকের দেহে মাংকিপক্স সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে।বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অন্য আরো ৫০ জন এতে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং মনে করা হচ্ছে যে আরো সংক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ৫০ জন কোন দেশের তা প্রকাশ করেনি।