বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকাভুক্ত হওয়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকাভুক্ত হওয়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান।
মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবিতে সরকারকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নির্যাতিত নারীদের তালিকা প্রকাশ ও তাদের ক্ষতিপূরণের বিষয়েও পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অ-মুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্তি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি। এ ধরনের অনিয়ম দূর করতে জোরালো পদক্ষেপ নেবে সরকার।
যারা ‘তন্ত্র-মন্ত্র’ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইশরাত চৌধুরী এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত করা হয়েছে।
সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সঠিক ও নির্ভুল তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নির্ণায়ক বিজয়ের পর বিএনপি দ্রুত সময়ের মধ্যেই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিএনপি।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে রিভিউ করা প্রয়োজন। বর্তমানে ইতিহাস পাঠ্যক্রমে মুক্তিযুদ্ধকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব গাজীপুর থেকে ফিরছিলেন ঢাকায়। এমন সময় ব্রিগেডিয়ার ও তাঁর সঙ্গীদের জয়দেবপুরের লেভেলক্রসিং এলাকায় বাধা দেয় বীর ছাত্র-জনতা। শুরু হয় বাঙালির প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। এক পর্যায়ে প্রতিরোধকারীদের অন্যতম কাজী আজিম উদ্দিন আহাম্মদ ব্যক্তিগত বন্দুক থেকে গুলি ছুড়লে পাল্টা গুলি ছোড়ে পাকিস্তানি সেনারাও।
আমরা স্বাধীনতার ৫৫তম বছরে পৌঁছেছি। এ সময়ে স্বাধীনতার যে অবমূল্যায়ন হয়েছে, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এমন হয়েছে কি না আমার জানা নেই। আমি অধ্যাপক ইউনূসকে ভীষণ সম্মানের চোখে দেখতাম। মনে হতো তিনি একটা প্রতিষ্ঠান।