ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনতার যুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ এবং মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখ সমরের স্থানগুলো সংরক্ষণে স্মৃতিস্তম্ভ বা স্থাপনা নির্মাণ এবং সেগুলো নথিভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে রাখা না গেলে স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্যবোধও একসময় হারিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধেরই ধারাবাহিকতা।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের ‘প্রেস কর্মকর্তা’ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মাহফুজ কবির মুক্তা।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করেছে, সেটি এখন প্রতিষ্ঠিত সত্য
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর প্রস্তাব রেখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ‘এই সংসদে আমরা যারা আছি তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি’।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৬ বছরেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ও নির্ভুল ইতিহাস এখনো রচিত হয়নি, যা জাতির জন্য এক বড় কলঙ্ক।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকাভুক্ত হওয়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান।