ইসলাম তার পরিচয়, বিধান ও বৈশিষ্ট্যে স্বতন্ত্র একটি দ্বিন ও ধর্ম। ইসলামের শিক্ষা হলো মুসলমানরা তাদের প্রাত্যহিক জীবনে স্বকীয়তা রক্ষা করবে, সে তার জীবনের কোনো পর্যায়ে নিজের মুসলিম পরিচয়কে ভুলে যাবে না, সে অন্য ধর্ম ও সম্প্রদায়ের অন্ধ অনুকরণ করবে না।
মুমিন
লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন, যা ‘সুরা কদর’ নামে পারিচিত।
রমজান একটি মহিমান্বিত মাস। মহান আল্লাহ তাআলা এই মাসে অগণিত নিয়ামত ও অনুগ্রহ দান করেছেন, যার ফলে মুসলমানদের হৃদয়ে রমজান এক বিশেষ মর্যাদা ও গভীর ভালোবাসার স্থান দখল করে আছে।
সব প্রশংসা একমাত্র আল্লাহপাকের জন্য। অগণিত সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ (সা.), তাঁর পরিবার ও সাহাবিদের ওপর।
নতুন বছর শুধু ক্যালেন্ডারের একটি সংখ্যা পরিবর্তনের নাম নয়, এটি মুমিনের জীবনে আত্মসমালোচনা, আত্মশুদ্ধি ও নবসংকল্প গ্রহণের এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। সময় আল্লাহ তাআলার এক মহান নিয়ামত। প্রতিটি নতুন দিন, নতুন মাস ও নতুন বছর আমাদের সামনে হাজির করে আত্মজিজ্ঞাসার প্রশ্ন—আমি কি আমার সময়কে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে ব্যয় করছি? নাকি গাফিলতি ও উদাসীনতায় জীবনকে ক্ষয় করছি?
ফজর শুধু দিনের প্রথম নামাজ নয়; এটি অন্ধকারের বুক চিরে আলোর আগমনের ঘোষণা।
মানুষ প্রতিদিন কত কিছুই না চায়—আরাম, স্বাচ্ছন্দ্য, সাফল্য; কিন্তু তিনটি চাওয়া এমন আছে, যা না পেলে সব পাওয়াই অর্থহীন হয়ে যায়।
আবু জর গিফারি (রা.) বলেন, আমার প্রিয়তম আমাকে (উপদেশ দিয়ে) বলেছেন, ‘তোমরা যেখানে থাকো আল্লাহকে ভয় কোরো, পাপ কাজ হওয়ার পর পুণ্য কোরো।
কোরআন ও হাদিসে যেসব বিষয়কে মানুষের জন্য ধ্বংসাত্মক বলা হয়েছে খ্যাতির মোহ তার অন্যতম। বিশেষত মুমিনের ধর্মীয় জীবনে এর প্রভাব অত্যন্ত নেতিবাচক। কেননা তা ইবাদতের নিষ্ঠাকে নষ্ট করে এবং আল্লাহর ভালোবাসা লাভে বাধা সৃষ্টি করে। এ জন্য পূর্বসূরি আলেমরা খ্যাতিম্যান হওয়াকে ভয় পেতেন।
একজন রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য হলো রোগের ব্যাপারে সঠিক আকিদা ও বিশ্বাস পোষণ করা। রোগের ব্যাপারে কাউকে দোষারোপ না করা। মনে সর্বদা এই বিশ্বাস রাখা যে রোগ দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ এবং সুস্থতা দানের মালিকও তিনিই। আল্লাহর হুকুম ছাড়া কোনো ওষুধ ও ডাক্তার রোগীকে সুস্থ করে তোলার ক্ষমতা রাখেন না।