মুসাফির

মসজিদের জামাতে মুসাফির কত রাকাত নামাজ পড়বেন?

মসজিদের জামাতে মুসাফির কত রাকাত নামাজ পড়বেন?

সফরের ক্লান্তি ও কষ্ট বিবেচনা করে ইসলাম মুসাফিরদের শরিয়ত পালনে কিছু ছাড় দিয়েছে। যেমন রমজানের ফরজ রোজা মুসাফিররা চাইলে ভেঙে পরে কাজা করে নিতে পারেন, জুমার নামাজ ও কুরবানি মুসাফিরদের ওপর ওয়াজিব নয়।

মুসাফির ব্যক্তির রোজা ও রমজান

মুসাফির ব্যক্তির রোজা ও রমজান

মুসলিম উম্মাহর সর্বসম্মতিক্রমে মুসাফিরের জন্য রোজা না রাখা জায়েজ। ওই মুসাফির রোজা রাখতে সক্ষম হোক অথবা অক্ষম, রোজা তার জন্য কষ্টদায়ক হোক অথবা না হোক—সর্বাবস্থায় তার জন্য রোজা না রাখা বৈধ। 

মুসাফিরের নামাজ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কথা

মুসাফিরের নামাজ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কথা

সফরে থাকলে কোরআনের হুকুম অনুযায়ী নামাজ কসর (সংক্ষেপ) করতে হয়। বিভিন্ন হুকুম-আহকাম পালনের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়। মূলত ৪৮ মাইল বা ৭৮ কিলোমিটার দূরে ১৫ দিনের কম সময়ের জন্য সফরের নিয়তে নিজের বসবাসের স্থানের লোকালয় ত্যাগ করলে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে তাকে মুসাফির হিসেবে গণ্য করা হয়। 

হারামাইনের মুসাফির

হারামাইনের মুসাফির

ফয়সাল আহমাদ। কাতার প্রবাসী বাংলাদেশী আলেম। দেশটির রাজধানী দোহার একটি মসজিদে ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন। কিছুদিন আগে ঘুরে গেলেন দেশ থেকে। ফেরার কিছু দিন পরই নিজের কর্মস্থলে নিয়ে গেছেন স্ত্রী, ৬ মাস বয়সী সন্তান ও বাবা-মাকে। সেখানে পৌঁছে তাদের নিয়ে রওনা হয়েছেন পবিত্র দুই ভূমি মক্কা-মদিনার হারামাইনের উদ্দেশে, ওমরাহ পালনের জন্য। আর এই সফরটি হচ্ছে ফয়সাল আহমাদের ব্যক্তিগত গাড়িতে। নিজেই ড্রাইভিং করে স্বপ্ন সফরে বের হয়েছেন তার সবচেয়ে কাছের মানুষদের নিয়ে। তার মসজিদ থেকে মক্কার দূরত্ব ১৪৫১ কিলোমিটার। সেখান থেকে ফের রওনা করবেন মদিনায়, মসজিদে নববীতে, রাসূল সা:-এর রওজায় দাঁড়িয়ে তাঁর প্রতি সালাম পেশ করতে। আবেগাপ্লুত এই সফর ফয়সাল আহমাদের মনে কেমন অনুভূত হচ্ছে এবং কী ঘটছে পথেঘাটে। সেটাই সংক্ষেপে তুলে ধরছেন তিনি।