ঘরে ঘরে এখন ইন্টারনেট-সংযুক্ত স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও স্মার্ট টিভির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। একই নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইস যুক্ত থাকার কারণে অনেক সময় ইন্টারনেটের গতি মারাত্মকভাবে কমে যায়, যা ভিডিও স্ট্রিমিং বা ডাউনলোডের সময় বড় বিড়ম্বনা তৈরি করে।
রাউটার
অনেকেই মনে করেন যে রাউটারে যত বেশি অ্যান্টেনা থাকবে, ইন্টারনেটের গতিও তত বেশি পাওয়া যাবে। তবে বিষয়টি পুরোপুরি সত্য নয়। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে
দ্রুতগতির ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। অনলাইন মিটিং, অনলাইন ক্লাস, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা সাধারণ ব্রাউজিং—সবকিছুর জন্যই নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন।
দেশের বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত রাউটার ব্র্যান্ড হিসেবে নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়েছে টিপি-লিংক। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে তাদের রাউটার বিক্রির সংখ্যা ৩ কোটির সীমা অতিক্রম করেছে।
এই ডিজিটাল যুগে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের অনেকেরই একটা দিনও ইন্টারনেট ছাড়া কাটে না। মোবাইলে সোশ্যাল মিডিয়া দেখা হোক, ল্যাপটপে অফিসের কাজ করা হোক বা স্মার্ট টিভিতে সিনেমা দেখা, সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ইন্টারনেট। আর এই সমস্ত ডিভাইসকে একসঙ্গে যুক্ত করে রাখে যে অদৃশ্য মাধ্যম, সেটি হলো ওয়াইফাই।
আধুনিক জীবনে প্রতিটি মুহূর্ত ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। আর এই ইন্টারনেটের গতি ও স্থিতিশীলতা অনেকাংশেই নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের রাউটার ব্যবহার করছেন তার ওপর। রাউটার কেনার সময় আমরা প্রায়ই ‘ব্যান্ড’ শব্দটি শুনি।
আগে কারো বাসায় গেলে প্রথমে জিজ্ঞেস করা হতো, ‘কেমন আছেন?’ আর এখন জিজ্ঞেস করে ‘ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটা কী?’— ঠাট্টা করে এমন কথা বললেও বাস্তবতা একই তথ্য দেয়। ওয়াইফাই রাউটার ছাড়া বর্তমানে এক মুহূর্তও কল্পনা করা যায় না।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ওয়াইফাই রাউটার কি রাতে বন্ধ করে রাখা উচিত ? জানুন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে কী বলছেন। ওয়াইফাই রাউটার সারা রাত চালিয়ে রাখলে কী হবে ? রাতে ঘুমানোর সময় আপনিও
রাতে ঘুমানোর সময় আপনিও অন্যদের মত ওয়াইফাই রাউটার চালিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। তবে মনে প্রশ্ন আসে যে এই রাউটার বন্ধ করলে কি বিদ্যুৎ খরচ কম হবে? প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ওয়াইফাই রাউটার কি রাতে বন্ধ করে রাখা উচিত ?
প্রায় সবাই এখন ঘরে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করেন। দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই ওয়াই-ফাই অন রাখেন বাড়িতে। কিন্তু দেখা যায় দিনের বেশিরভাগ সময়ই ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে যায়।