রিজিক বৃদ্ধির উত্তম মাধ্যম সদকা। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য নিষ্কৃতির পথ বের করে দেবেন।
রিজিক
দেশের শোবিজ অঙ্গনের পরিচিত মুখ বারিশা হক আবারও আলোচনায়। তবে এবার ব্যক্তিগত এক অনুভূতি ভাগ করে নেওয়ার কারণে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো সচিব পদবির একজন সরকারি কর্মকর্তা প্রশ্ন তুলেছেন- ‘আমাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে দেশ ও জাতির কী অর্জন হলো?’ সরকারের সচিব হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্তির মাত্র ৮ মাসের মাথায় তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। এরপর থেকেই তিনি বেকার এবং আর্থিক কষ্টের মধ্যে এক অনিশ্চিত জীবনযাপন করছেন।
মানুষের জীবনে রিজিক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেউ মনে করে রিজিক শুধু উপার্জনের মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে, কেউ আবার মনে করে ভাগ্যই সবকিছু ঠিক করে দেয়। কিন্তু ইসলাম আমাদের রিজিক সম্পর্কে এমন পরিপূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি শিখিয়েছে, যা একই সঙ্গে ঈমান, আমল, নীতি-নৈতিকতা ও মানুষের প্রতি দায়িত্বকে সমান গুরুত্ব দেয়। নবী করিম (সা.)-এর বিভিন্ন হাদিসে রিজিক সম্পর্কে এমন সব নির্দেশনা এসেছে, যা মানুষের দুশ্চিন্তা দূর করে, আশা বৃদ্ধি করে এবং সৎপথে উপার্জনে শক্তি জোগায়।
ইসলামে বিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ইবাদত এবং ব্যক্তির নৈতিক ও পার্থিব জীবনের সমৃদ্ধির মাধ্যম। জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ-অর্থ, মানসিক স্থিতি, পাপ ও নৈতিক দুর্বলতা সমাধানে বিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
রিজিক শুধু অর্থ নয় বরং শান্তি, স্বাস্থ্য ও সন্তুষ্টিও রিজিকের অংশ। যখন আমরা নামাজ, ইস্তিগফার, সাদকা ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখি তখন রিজিক বাড়ে।
হালাল রিজিক খোঁজা ইসলামের অন্যতম আমল। ইবাদত কবুলের জন্যও হালাল রিজিক পূর্বশর্ত। হারাম রিজিক খেয়ে দোয়া বা আমল করলে আল্লাহ কবুল করেন না।
রিজিকের একমাত্র মালিক আল্লাহ তাআলা। এ বিশ্বাস প্রতিটি মুমিনের অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে থাকে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় নবী হজরত ঈসা (আ.)-এর একটি বিশেষ দোয়া উল্লেখ করেছেন,
ইসলামে রিজিক বলতে শুধু টাকা-পয়সা বা বস্তুগত সম্পদ বোঝানো হয় না; বরং জীবনের জন্য যা কিছু প্রয়োজন— খাবার, পানীয়, পোশাক, স্বাস্থ্য, শান্তি, জ্ঞান, সময়, সুসম্পর্ক— সবই রিজিকের অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বান্দাকে নানাভাবে পরীক্ষা করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা, সম্পদহানি, প্রাণহানি ও ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে; তুমি সুসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদের।