ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, ইবাদত ও আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের বিশেষ দিন। এই দিনে কী খাওয়া হবে, কখন খাওয়া হবে — এসব বিষয়েও ইসলামে সুন্দর দিকনির্দেশনা রয়েছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনের খাবারের ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসৃত কিছু সুন্নত আমল রয়েছে, যা মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ।
সুন্নত
ফজর ও জোহর নামাজে কেউ যদি সুন্নতে মুয়াক্কাদা না পড়ে ফরজ পড়ে ফেলে, তাহলে সেই ব্যক্তি নামাজের সময় বাকি থাকাবস্থায় সুন্নত আদায় করতে পারবে কি না?
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের আগে-পরে ১২ রাকাত সুন্নত নামাজ রয়েছে, এর গুরুত্ব অপরিসীম। শরীয়তের পরিভাষায় সুন্নত বলা হয়, ওই আদেশমূলক বিধানকে, যা ফরজ-ওয়াজিবের মতো অপরিহার্য না হলেও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিয়মিত আমল থেকে তা প্রমাণিত।
বন্দর নগরী চট্টগ্রামে গাউছিয়া জিলানী কমিটি বাংলাদেশ ও দরবারে হাশেমীয়া আলিয়া শরীফের উদ্যোগে শতাধিক অসহায় শিশুকে সুন্নতে খৎনা ও ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রমজান নেক আমলের বসন্তের মাস। রমজানুল মুবারকের পুরো এক মাস সিয়াম সাধনার পর আসে পয়লা শাওয়াল তথা ঈদুল ফিতর। ঈদ মুসলমানদের জন্য আনন্দ-উৎসব ও ক্ষমাপ্রাপ্তির দিন। এ আনন্দ আল্লাহর নেয়ামত প্রাপ্তির। মাগফিরাত প্রত্যাশার।
ইসলাম জীবনের প্রতিটি ছোট-বড় কাজে নবী কারিম (স.)-এর আদর্শ অনুসরণের দিকনির্দেশনা দিয়েছে। এমনকি ঘুম থেকে জাগার পর কী করা বরকতময়, তাও নবীজির পবিত্র জীবনীতে শিক্ষা রয়েছে।
নামাজ ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি কিছু সুন্নত নামাজের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। জোহরের আট রাকাত সুন্নত তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, যার ফজিলতে রাসুলুল্লাহ (স.) জাহান্নাম থেকে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মুমিনের ওপর ফরজ। মানুষ যেখানে থাকুক না কেন— সময়মতো নামাজ আদায় করতেই হয়। এই ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনুল কারিমে ইরশাদ করেন, ‘নামাজ মুমিনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ১০৩)
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে নামাজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ফরজ নামাজের পাশাপাশি সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের গুরুত্বও অনেক। সুন্নতে মুয়াক্কাদা এমন নামাজ, যা রাসুলুল্লাহ (স.) নিয়মিত আদায় করতেন এবং বিনা ওজরে কখনও ত্যাগ করতেন না।
ইসলাম শান্তির ধর্ম। দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি ও সুখের নিশ্চয়তার জন্য রসুল (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ গুরুত্বপূর্ণ।