ঢাকা মহানগরী উত্তরের মিরপুর জোনের জামায়াতের ইউনিট সভাপতি-সেক্রেটারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঢাকা মহানগরী উত্তরের মিরপুর জোনের জামায়াতের ইউনিট সভাপতি-সেক্রেটারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ছবিঃ সংগৃহিত।

জামায়াতে ইসলামী সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে এক দুর্জয় কাফেলার নাম; তাই সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন, দুনিয়ায় শান্তি ও আখেরাতে মুক্তি জন্য ইউনিট দায়িত্বশীলদের সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে আপোষহীন ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর ৮ নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগর উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মূসা।
এতে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য মনিরুল ইসলাম মৃধা, হেকিম আব্দুল মান্নান ভুইয়া, এডভোকেট আলাউদ্দিন সোহেল, জি এম হাফিজুর রহমান, আব্দুল্লাহ মুয়াজ প্রমুখ। সম্মেলনে দারসুল কুরআন পেশ করেন মাওলানা আব্দুল জব্বার খান প্রমূখ।
সেলিম উদ্দিন বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে নিজেদের জীবন ও চরিত্রকে আলোকিত করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। তাই জামায়াত ব্যক্তির জ্ঞান চর্চাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছে। আমরা জ্ঞানের আলোয় আলোকিত এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আপোষহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছি। অন্য দলে তা করা হয় না। তাদের কর্মসূচিই হচ্ছে পেশি শক্তি নির্ভর।
মূলত, জামায়াতে ইসলামী অহীর জ্ঞানের ভিত্তিতে চরিত্র গঠনের এক অদ্বিতীয় মাধ্যম। আমাদের কোন জনশক্তিই অপরাধের সাথে জড়িত নন। কোন দুঃশ্চরিত্র, বদমেজাজী, অহংকারী, সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজদের জামায়াতে কোন স্থান নেই। তিনি জ্ঞানভিত্তিক ও ইনসাফপূর্ণ নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সকল আত্মগঠন ও পরিবার গঠনে আত্মনিয়োগ করার আহবান জানান।
তিনি বলেন, জামায়াত জনগণের মুক্তি ও কল্যাণে কাজ করাকেই নিজেদের ধ্যান-জ্ঞান মনে করে। তাই জামায়াতের সকল স্তরের নেতা-কর্মীদেরকে জনগণের সাথে সদাচারণ ও তাদের কল্যাণে কাজ করতে হবে। গণমানুষের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেসব সমাধানের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর কোন বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, কন্যা দায়গ্রস্থ পিতার দায়মুক্তির জন্য সকল পর্যায়ে জনশক্তিকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাস্তস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা সহ যেকোন সমস্যা সমাধানে আমাদেরকে ময়দানে অতন্ত্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ, ইসলামই পারে মানুষের সকল সমস্যার সমাধান দিতে। আমাদের বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলতে হবে ‘সব সমস্যার সমাধান; দিতে পারে ইসলাম।’
সেলিম উদ্দিন বলেন, “ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। ইসলামি আদর্শের আলোকে কাজ করে মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে।”