‘নাটক জনপ্রিয়তা পেলেও পারিশ্রমিক পাইনি’

‘নাটক জনপ্রিয়তা পেলেও পারিশ্রমিক পাইনি’

মিলি বাশারের ফাইল ছবি

জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিলি বাশার। নাটকে মায়ের ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য তিনি দর্শকের কাছে বেশি পরিচিত। সবমিলিয়ে কেমন আছেন? কী নিয়ে ব্যস্ত? উত্তরে মিলি বাশার বলেন, নাটক নিয়েই ব্যস্ত। আজ সকালেও (গতকাল) একটা নাটকের শুটিং ছিল। কিন্তু নায়ক অসুস্থ থাকার কারণে সেই শুটে আর যাওয়া হয়নি। দু’দিন আগেই নীলাদ্রি থেকে ফিরেছি শুটিং করে। ফেরার পর কিছুটা অসুস্থ অনুভব করছিলাম। কথায় কথায় এ অভিনেত্রী বলেন, ৭ই আগস্ট থেকে আমার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘তেল ছাড়া পরোটা’ প্রচার শুরু হয়েছে। আশা করছি, দর্শকদের ভালো লাগবে। কোনো চলচ্চিত্রের কাজ হাতে আছে কি? মিলি বাশার বলেন, গতকালই একটা সিনেমার কাজ হাতে এসেছে। পরিচালক স্ক্রিপ্ট পাঠিয়েছেন। 

সব ঠিক না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে চাচ্ছি না। এত ব্যস্ততার মাঝে সংসারও সমানভাবে সামলান, কীভাবে? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসার জীবন এক অবধারিত অঙ্গের মতো। সারাদিন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি। যতটুকু সময় পাই, সেটুকু পরিবারের জন্য তোলা থাকে। মাকে বেশি সময় দিতে হয়। কারণ তিনি প্যারালাইজড। নিজের অভিনীত নাটক পরবর্তীতে দেখার সময় কেমন লাগে? তিনি বলেন, খুতগুলো চোখে পড়ে। অনেক শিখতে পারি। ভুলগুলো শুধরাতে পারি। এখনকার সঙ্গে নব্বই দশকের নাটকগুলোর পার্থক্য কেমন মনে করেন? এ অভিনেত্রী বলেন, তখনকার ডিরেক্টররা অনেক জ্ঞানী ছিলেন। নাটকে অনেক সময় দিতেন। সেটা নিয়ে ভাবতেন, যাচাই করে স্ক্রিপ্ট রেডি করতেন, সবার সঙ্গে আলোচনা করতেন। 

তখন বিটিভি-নির্ভর ছিল সব। এখন এত এত চ্যানেল। প্রচুর নাটক হচ্ছে। একটা নাটকের পেছনে এত সময় দেয়ার মতো সময় নেই কারও। সেই কারণে নাটকের মান কমেছে। তিনি যোগ করে বলেন, এখন নাটক থেকে শেখার বিষয় কমে গেছে। কারণ পর্দায় খারাপ কাজের পরিণতি যে খারাপ হবে- এমনটা দেখানো হয় কম। অভিনয়শিল্পীরা কি প্রত্যাশা অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাচ্ছেন? তিনি বলেন, নাটকের বাজেটের বেশির ভাগই নায়ক-নায়িকা নেয়। বাকি বাজেটে প্রোডাকশন, লাইট, ক্যামেরা, খাবার কিংবা নাটকের বাকি সদস্যদের চাহিদা পূরণ অনেকটা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমনও হয় নির্মাতার জন্য আর টাকাই থাকে না। কাজ করেছেন, সম্মানী পাননি- এ রকম কি কখনো হয়েছে? মিলি বাশার বলেন, অনেক হয়েছে। এমনও হয়েছে, কয়েক বছর আগে কাজ করেছি। নাটক মুক্তি পেয়ে সাড়াও ফেলেছে। কিন্তু পারিশ্রমিক পাইনি। কিন্তু সম্মান রক্ষার্থে তাদের নাম বলতে চাই না।