ব্রিটেনে অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের ওপর নজর

ব্রিটেনে অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের ওপর নজর

সংগ্রহীত ছবি

অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকানোর অংশ হিসেবে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশটিতে থাকা বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর কঠোর হতে যাচ্ছে ব্রিটিশ প্রশাসন।

বিবিসির এক খবরে বলা হয়েছে, যেসব বিদেশি শিক্ষার্থী তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আশ্রয়ের আবেদন করছেন, তাদের বিষয়ে কঠোর হওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাজ্য প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে বিদেশি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ব্রিটেনে থাকার আইনি অধিকার না থাকলে অবশ্যই যুক্তরাজ্য ত্যাগ করতে হবে—তাদের এমন বার্তা দেওয়া হবে।  

মূলত বিদেশি শিক্ষার্থীদের আশ্রয়ের জন্য আবেদনের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চায় ব্রিটিশ সরকার। বিবিসি জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের পাঠানো বার্তায় বলা হবে, ‘আপনি যদি আশ্রয়ের আবেদন করেন, যার কেনো ভিত্তি নেই, সেই আবেদন খুব দ্রুত বাতিল করা হবে।’

 ‘আশ্রয়ের প্রতিটি আবেদনের প্রয়োজনীয়তা যাচাই-বাছাই করা হবে।

যদি প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করতে পারেন, আপনি কোনো সহযাগিতা পাবেন না।’

বার্তায় আরো বলা হবে, ‘আপনার যদি যুক্তরাজ্যে থাকার আইনি অধিকার না তাকে, অবশ্যই আপনাকে চলে যেত হবে। আপনি যদি না যান, আমরা আপনাকে পাঠিয়ে দেব।’

কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে অভিবাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীর আগমন নিয়ে একদিকে যেমন সরকারের মধ্যে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে, তেমনি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের হোটেলে রাখা নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে আন্দোলন চলছে। এর মধ্যে গত আগস্টে ফ্রান্সের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি করেছে যুক্তরাজ্য। এর ফলে ছোট নৌকায় আসা ব্যক্তিদের সরাসরি ফেরত পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। চুক্তির পরদিনই প্রথম আটক অভিযান চালানো হয়।

স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে সোমবার ইয়েভেট কুপার জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষে ফেরত পাঠানোর প্রথম ধাপ শুরু হওয়ার আশা করছে সরকার।

তা ছাড়া শরণার্থীদের পারিবারিক পুনর্মিলনের জন্য নতুন আবেদন গ্রহণ স্থগিতের ঘোষণাও দেন তিনি।