গাজাজুড়ে ব্যাপক হামলা ইসরায়েলের, নিহত ৮৫
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। বুধবার দিনভর হামলায় অন্তত ৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন—এ সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।
কেন্দ্রীয় গাজার নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে একটি স্টেডিয়ামে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর ওপর হামলায় ১২ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে সাতজন নারী ও দুই শিশু রয়েছে। আল-আহলি স্টেডিয়ামটি কয়েক সপ্তাহ ধরে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
বাস্তুচ্যুত নারী নাজওয়া বলেন, ‘হাতে যা ছিল, শুধু সেটাই নিয়ে বের হতে পেরেছি। আমরা ভীত। যাতায়াত ব্যয়বহুল। কিছুই আনতে পারিনি।’
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর জানিয়েছে, ইসরায়েল গাজা সিটির মানুষদের ওপর ভয় সৃষ্টি করছে এবং লাখো মানুষকে পালাতে বাধ্য করছে।
তবে ইসরায়েলের সেনাপ্রধান এয়াল জামির দাবি করেন, মানুষকে দক্ষিণে পাঠানো হচ্ছে তাদের নিরাপত্তার জন্য। তিনি জানান, ‘গাজার অধিকাংশ মানুষ ইতিমধ্যে গাজা সিটি ছেড়ে গেছে। সেনারা শহরে সুসমন্বিত ও পদ্ধতিগতভাবে অগ্রসর হবে।’
জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন অবশ্য বলেছে, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য গাজায় স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ও পশ্চিম তীর ও ইসরায়েলের ভেতরে ইহুদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত অন্তত ৬৫ হাজার ৪১৯ ফিলিস্তিনি নিহত ও এক লাখ ৬৭ হাজার ১৬০ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও হাজারো মানুষের লাশ চাপা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।