সাব্বিরের নীল দল সেরাদের সেরা
সংগ্রহীত ছবি
সাব্বির, সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, যাকে বলা হয় ম্যারাডোনা। জাতীয় দলের আক্রমণ ভাগের অত্যাবশ্যকীয় খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। ঢাকা মোহামেডানের ঘরের ছেলে খ্যাত সাব্বির ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন শেখ জামালের হয়ে, শেষ করেছেন রহমতগঞ্জের হয়ে। মাঝে ১১টি মৌসুম মাতিয়েছেন সাদা-কালো জার্সির সমর্থকগোষ্ঠী তথা মোহামেডানের ফ্যানদের।
ঢাকা মোহামেডান ছাড়াও তিনি কলকাতা মোহামেডানের হয়ে খেলেছিলেন এক মৌসুম। ৬০ ছুঁই ছুঁই বয়সে এসেও সেই সাব্বির আবারও বল নিয়ে ছুঁটলেন, ছুঁটলেন বলের পেছনে, মাতালেন দর্শকদের। চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট’এ চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে ছাড়লেন মাঠ।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) আয়োজিত টুর্নামেন্টে বসেছিল তারকার হাঁট।
খেলেছেন আলফাজ আহমেদও। ঢাকা মোহামেডান, আবাহনী, মুক্তিযোদ্ধা, ব্রাদার্স, কলকাতা মোহনবাগানসহ দেশের সব শীর্ষ ক্লাবের হয়ে খেলা জাতীয় দলের আক্রমণভাগের এই খেলোয়াড়ের সঙ্গে মাঠে অপর দুটি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন জাহেদ পারভেজ ও সুজন। চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে এই তারকাদের উপস্থিতিতে।
মাঠে যখন বল নিয়ে প্রিয় তারকা খেলোয়াড়রা দৌঁড়াচ্ছিলেন, তখন অতিথির সারিতে বসে ছিলেন আমিনুল ইসলাম।
যার হাত ধরে সাফ জয় করেছিল আমাদের জাতীয় দল। আমিনুল এখন পুরোপুরি রাজনীতিবিদ। তিনি বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক।
শুক্রবার দুপুরের পরপরই আমিনুল ইসলাম মাঠে প্রবেশ করেন। উদ্বোধন করেন ‘জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫’।
উদ্বোধনের পর প্রথম খেলায় লাল দল এবং নীল দল অংশ নেয়। নীল দল ১-০ গোলে জয়লাভ করে। দ্বিতীয় খেলায় হলুদ দল এবং সবুজ দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। হলুদ দল ১-০ গোলে জয়লাভ করে।
পরে হলুদ এবং নীল দলের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল খেলা গোলশূন্য অমীমাংসিত থাকে। পরে টাইব্রেকারে হলুদ দলকে হারিয়ে সাব্বিরের নীল দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় এবং জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হলো
বিজয়ী দলকে পুরস্কার তুলে দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ চট্টগ্রাম বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।