দই যাদের জন্য খুব উপকারী
ছবি: সংগৃহীত
দই মূলত তাদের জন্য উপকারী যাদের হজমশক্তি বাড়াতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এছাড়া, উচ্চ রক্তচাপ, চর্মরোগ এবং মানসিক চাপ কমাতেও দই উপকারী, তবে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু ব্যক্তি এবং অ্যাসিডিটি যাদের বেশি, তাদের জন্য কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
দই কারা বেশি খাবেন
হজম ও পুষ্টির জন্য: যাদের হজমের সমস্যা আছে বা যারা হজমশক্তি বাড়াতে চান, তাদের জন্য দই খুব উপকারী। দুধ সহজে হজম হয় না যাদের, তারা দই খেতে পারেন, কারণ এটি দুধের চেয়ে সহজে হজম হয়।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে:যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য টক দই একটি ভালো বিকল্প, কারণ এটি পেট ভরা রাখে এবং কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ কমায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে: রক্তে শ্বেতকণিকার সংখ্যা বাড়াতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দই সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে দই বেশ উপকারী।
মানসিক চাপ কমাতে: মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে দইয়ের ভূমিকা রয়েছে।
কাদের সতর্ক থাকতে হবে
ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু ব্যক্তি: যাদের দুগ্ধজাত খাবারে অ্যালার্জি আছে, তাদের দই খেলে ডায়রিয়া বা অন্যান্য অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে।
অ্যাসিডিটি বা ঠান্ডা লাগার সমস্যা থাকলে: খালি পেটে দই খেলে কারও কারও অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়ে, কারণ এতে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
ডায়াবেটিস বা ট্রাইগ্লিসারাইডের সমস্যা থাকলে: মিষ্টি দই এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে চিনি ও ঘি থাকে। তবে রক্তে শর্করা ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে মাঝে মাঝে খেতে পারেন।
দই খাওয়ার কিছু টিপস:সবচেয়ে ভালো হয় দুপুরবেলা খাওয়ার পর দই খেলে, কারণ এটি হজমে সাহায্য করে। অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম করে দই খাবেন না, কারণ এতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে। টক দইয়ের সাথে টক ফল বা লেবু খাবেন না, এতে পেটের সমস্যা হতে পারে।