যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় আটক ব্যক্তির ডিবি হেফাজতে মৃত্যু

যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় আটক ব্যক্তির ডিবি হেফাজতে মৃত্যু

সংগ্রহীত ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় মোক্তার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে পিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে তাঁকে উদ্ধার করে আটক করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবি। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ফিরে আসার পর আকস্মিকভাবে তাঁর মৃত্যু হয়। গতকাল শুক্রবার ডিএমপি মিডিয়া শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আটক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় এমনটা দাবি করেন।

ডিবি সূত্র জানায়, গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত নজরুল, মাসুম ও জামান নামের তিনজনকে আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে তাঁরা প্রাথমিকভাবে স্বীকারও করেন। এ ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি মো. মোক্তার হোসেনের হেফাজতে আছে বলেও জানান তাঁরা। এই তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় পল্লবীর একটি রিকশা গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় মোক্তার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে। উত্তেজিত জনতা তাঁকে কিল-ঘুষি মারে। 
রিকশা গ্যারেজ থেকে আট রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধারের পাশাপাশি ডিবি সদস্যরা মোক্তারকে আটক করেন। রাত দেড়টায় তিনি অসুস্থ বোধ করলে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছাড়পত্র দেয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

ফের মোক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। সকাল ১০টায় তাঁকে খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করা হলেও কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে জানান। 

উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করতে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগে কিবরিয়া হত্যায় পাঁচজন এজাহারনামীয়সহ অজ্ঞাতপরিচয় অন্তত আটজনকে আসামি করে নিহতের স্ত্রী পল্লবী থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং বৃহস্পতিবার আরো ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।