“জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে”

“জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে”

ছবি : প্রতিনিধি

যশোর সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪টি ইউনিটের রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ সকালে সেনানিবাসের এসটিসিএন্ডএস প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন,৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল নুরুল আনোয়ার।

সেনা প্রধান বলেন,বাংলাদেশ সেনা বাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দূর্যোগ মোকাবেলা সহ আর্থ সামাজিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। তিনি আরও বলেন,একই ধারায় ভবিষ্যতেও মাতৃভুমির অখন্ডতা রক্ষা তথা জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি সেনাবাহিনী সকলকে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশমাতৃকার যে কোন প্রয়োজনে এগিয়ে আসতে নির্দেশনা প্রদান করেন।

সেনা প্রধান আরও বলেন,রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি যে কোন ইউনিটের জন্য একটি বিরল সম্মান এবং পবিত্র আমানত। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে এই বিরল প্রাপ্তি নিঃসন্দেহে আরও অধিক গৌরবের ও আনন্দময়। তিনি কর্মদক্ষতা,কঠোর পরিশ্রম ও কর্তব্যনিষ্ঠার স্বীকৃতি স্বরুপ প্রাপ্ত পতাকার মর্যাদা রক্ষা এবং দেশ মাতৃকার যে কোন প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে ইউনিটসমুহকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে প্যরেড কমান্ডার লেঃ কর্ণেল শাহাবউদ্দিনের নেতৃত্বে কালার প্যরেডে অংশগ্রহণকারী ব্যাটালিয়ন সমুহের সম্মিলিত চৌকস দল কুচকাওয়াজ প্রদর্শন এবং সেনা প্রধানকে জেনারেল সালাম প্রদান করেন।

উল্লেখ্য মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান,পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রচেষ্টায় নিরলস প্রচেষ্টা,দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং বিবিধ প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কর্মকান্ডে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরুপ একটি ইউনিট বা রেজিমেন্টকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উর্দ্ধতন সেনা কর্মকর্তা ,বিভিন্ন পদবীর সেনা সদস্য ,জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান ও পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দার উপস্থিত ছিলেন।