পাবনায় শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৫ ডিগ্রি
সংগৃহীত ছবি
গত এক সপ্তাহ ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে পাবনা। কয়েক দিনের তীব্র শীতে জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে ঠান্ডা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। একই সঙ্গে হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পাবনায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে সোমবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েক দিন সূর্যের দেখা মেলেনি বললেই চলে।
শৈত্যপ্রবাহের কারণে প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে কম বের হচ্ছেন। এতে সড়কে যাত্রী কমে যাওয়ায় অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের আয় কমেছে। কাজের সংকটে পড়েছেন দিনমজুররাও।
পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ সড়কে অটোরিকশাচালক সোলায়মান আলী বলেন, শীতে রাস্তায় মানুষই নেই। যাত্রীর আশায় বসে থাকতে হয়। কিন্তু আয় হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
সকালে লাইব্রেরি বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকেরা কাজের আশায় ঝুড়ি ও কোদাল নিয়ে বসে থাকলেও অনেকেই কাজ পাচ্ছেন না।
এদিকে তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর ভিড় বাড়ছে। পাবনা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় শ্বাসকষ্ট ও ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ৭০ জন, নিউমোনিয়ায় ৪০ জন এবং ডায়রিয়ায় ৩৬ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, শীত মৌসুমে সাধারণত রোগীর সংখ্যা বাড়ে। তবে এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি শীত থেকে রক্ষায় গরম পোশাক পরিধানসহ সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।