দিনাজপুরে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

দিনাজপুরে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

ফাইল ছবি

কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সকাল ও রাতে বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। ভোরের দিকে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন কুয়াশার চাদরে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কুয়াশার সঙ্গে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। দিনাজপুরে তাপমাত্রা কমে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। কুয়াশা ও শীতের তীব্রতায় জনজীবন কাহিল হয়ে পড়েছে। অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারন করতে দেখা গেছে। তবে বুধবার বেলা বাড়ার সাথে সুর্য দেখা গেলেও সুর্যের তাপ মলিন ছিল। 

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ৮ থেকে ১০ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা বিরাজ করলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।সে হিসেবে দিনাজপুর অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার একই সময়ে এখানে তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ১৬ দশমিক ৪ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ দিনের সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ব্যবধান ছিলো মাত্র ৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অঞ্চলে, কনকনে শীতে বিপর্যস্ত সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। রাতে শীতল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় শীতের দাপট আরও বেড়ে যায়। দিনের বেলা দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় জেলার সর্বত্রই আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। সন্ধ্যা থেকে দুপুর পর্যন্ত শীত বেশি অনুভব হচ্ছে।

কনকনে শীতে দরিদ্র, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা দুর্ভোগে পড়েছে। ঠিকমত কাজে যেতে পারছেন না এসব মানুষেরা। 
আব্দুল গফুরসহ কয়েকজন যানবাহন চালক জানায়, তারা সকালের দিকে যানবাহনে হেডলাইট জ্বালিয়ে সাবধানে রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে। 
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান, বুধবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এসময় বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় ৯৪ কি.মি. প্রবাহিত হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এএম