‘দুর্গাপুরে অনেক খাল ছিল, যার অনেকগুলোই এখন বেদখল’

‘দুর্গাপুরে অনেক খাল ছিল, যার অনেকগুলোই এখন বেদখল’

সংগৃহীত ছবি

ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, শুধু নদী নয়, খাল খনন কর্মসূচিও আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলে আগে অনেকগুলো খাল ছিল, যার অনেকগুলোই এখন বেদখল হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও হয়তো অন্য মন্ত্রণালয় জমি বরাদ্দ নিয়ে নিয়েছে।

শুক্রবার নিজ নির্বাচনি এলাকা নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কখা বলেন। এর আগে তিনি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকল দফতরের সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেন। সভায় তিনি সকলকে জবাবদিহিতা মনোভাব রাখার নির্দেশেনা দেন। ওই সময় বলেন আগের সরকারগুলোর জবাবহিতা ছিলো না। কিন্তু আমাদের সরকার জবাবদিহিতার সরকার হবে। তাই যারা যেখানেই কাজ করুন না কেন মনে রাখবেন জনগণকে জবাবদিহি করতেই হবে। 

শুক্রবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজ নির্বাচনি এলাকা নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের দুর্গাপুর উপজেলায় প্রথম সরকারি সফরে আসেন তিনি। সকালে উপজেলার সকল দফতরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। দুপুরে দুর্গাপুর পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

দিনব্যাপী দুর্গাপুর পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাববে তিনি আরও বলেন, আমরা সবকিছুই খতিয়ে দেখব। প্রাথমিকভাবে দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন থেকে দুটি খাল খননের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যার কাজ অচিরেই শুরু হবে। আমরা নদীর পাশাপাশি খাল খননেও জোর দিচ্ছি। কারণ এটি শুধু সৌন্দর্য্যরে জন্য নয়; বরং আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষকদের সেচের বিকল্প মাধ্যম হতে পারে এই নদী ও খাল।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ে অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সেবাগ্রহীতারা এ সম্পর্কে অনেক কিছুই জানেন না। একটি কল সেন্টার রয়েছে যা দিনে ২৪ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিনই খোলা থাকে। কিন্তু এই কল সেন্টারের প্রচার-প্রচারণা জনগণের কাছে পৌঁছানো হয়নি। আমি শপথ নেওয়ার পর এটি জানতে পেরেছি। এমন অনেক জনহিতকর কাজ করা হলেও সেগুলোর প্রয়োজনীয় প্রচার হয়নি। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাথে নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পূর্বের গৌরব পুনরুদ্ধার এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।