কক্সবাজারের চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন, অভিযানে শ্যালোমেশিন ধ্বংস

কক্সবাজারের চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন, অভিযানে শ্যালোমেশিন ধ্বংস

সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ইজারার শর্ত লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সত্যতা পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে লুকিয়ে রাখা একটি শ্যালোমেশিন জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

পরিদর্শনের সময় তারা দেখতে পান, বালুদস্যু হিসেবে পরিচিত নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেট হারবাং ছড়া ও আশপাশের ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে, যার ফলে পরিবেশ ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

অভিযানের সময় ছড়ার তীরে বালুর নিচে লুকিয়ে রাখা ও কালো পলিথিনে ঢাকা একটি শ্যালোমেশিন উদ্ধার করে তা ধ্বংস করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারি উত্তর হারবাংয়ের ইছাছড়ি এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের চিত্র ধারণ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক হামলার শিকার হন।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের নির্দেশে বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ইউএনও শাহীন দেলোয়ার, এসি ল্যান্ড রূপায়ন দেব, হারবাং ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. আবুল মনসুর এবং পুলিশের একটি দল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ— নির্বিচারে বালু উত্তোলনের কারণে ইছাছড়ি খালের তলদেশ গভীর হয়ে এবং দুই তীর ধসে গিয়ে ভাঙন তীব্র হয়েছে।

এতে হুমকির মুখে পড়েছে কৃষিজমি ও বসতভিটা।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, ‘জেলা প্রশাসন কর্তৃক দেওয়া বালুমহাল ইজারার শর্ত লঙ্ঘন এবং বালু আহরণের নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে গিয়ে পরিবেশ ধ্বংস করে অবৈধভাবে বালু তোলার সত্যতা পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ইজারাদারের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। একইসাথে পরিবেশ ধ্বংসে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।