ময়মনসিংহের নান্দাইলে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা মীমাংসা করার অভিযোগ

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা মীমাংসা করার অভিযোগ

প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় মীমাংসার সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এতে পুলিশের সায় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত দুই দিনে উপজেলার মুশল্লী ইউনিয়নের উত্তর মুশল্লী ও শেরপুর ইউনিয়নের পাঁচরুখি গ্রামে পৃথক দুটি ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্র ও থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে জানা যায়, মুশল্লী গ্রামের এক গ্রাম পুলিশের নাতনিকে (৯) প্রতিবেশী দুলাল মিয়া (২৭) ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন।

ঘটনাটি জানাজানি হলে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় বেশ কয়েকজন সালিশকারী একত্রিত হয়ে অভিযুক্তকে বেঁধে মারধর করে জুতাপেটা করে মীমাংসা হয়। 

এ বিষয়ে শিশুটির নানা (গ্রাম পুলিশ) জানান, এ বিষয় নিয়ে গ্রামের কয়েকজন মিলে মীমাংসা করে দিয়েছেন। তাই আর কোনো কথা বলতে রাজি নন। 

অন্যদিকে পাঁচরুখি গ্রামের মোস্তুফা নয়ন (২০) গত বুধবার পাশের বাড়ির এক কিশোরীর বসত ঘরে প্রবেশ করে দরজা আটকে দেয়।

তার চিত্কারে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। এ নিয়ে কিশোরীর নানি পরদিন নাতনিকে নিয়ে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোাগ দেন। অভিযোগ পেয়ে এসআই পলাশ আহম্মেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে মীমাংসা করতে সময় দিয়ে আসেন। 

কিশোরীর মা বলেন, ‘দারোগা সাহেব বইল্যা গেছেন, মীমাংসা কইর্যা তারে জানানোর লাইগ্যা।

এ বিষয়ে নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা পলাশ আহম্মেদ মীমাংসা করার কথা অস্বীকার করে বলেন, তিনি পুরো ঘটনা ওসি সাহেবকে অবহিত করেছেন। এখন মামলা নেওয়ার দায়িত্ব উনার।

এ ব্যাপারে নান্দাইল থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা মো. সম্রাজ মিয়া জানান, দুটি বিষয়েই খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।