ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের শৃঙ্খলার মধ্যে আসতে হবে, এজন্য আমরা লাইসেন্স দিব’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম ব
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, আজকে যারা বেকার তারা যদি মনে করে যেকোনো জায়গাই আমার সম্পদ, আমি এখানেই দাঁড়িয়ে একটা ব্যবসা শুরু করে দিলাম তাহলেতো সেটা হবে না। সেজন্য এটা আমরা নিয়ন্ত্রণের মধে আনতে চাই। ঢাকা সিটি করপোরেশনে যেকোনো ব্যবসা যদি আপনি করেন, সিটি করপোরেশনের অনুমতি লাগবে। একটা ভেন্ডর যে হবে বা ফুটপাতে বসে যে ব্যবসা করবে তাকেও একটা আইন-শৃঙ্খলার মধ্যে আসতে হবে। এজন্য তাদেরকে আমরা লাইসেন্স দেব। ফটো আইডি ঝুলিয়ে রাখতে হবে তার গলায়। সে যে ব্যবসার মালামাল রাখবে এখানে, সেখানে লাইসেন্সের নাম্বার থাকতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা সময় নিচ্ছি ১ মাস। ১ সপ্তাহের মধ্যে পুলিশ জরিপ করছে কারা ঢাকায় ব্যবসা করতে পারবে আর কারা পারবে না। আমরা তাদেরকে চিহ্নিত করতে চাই এবং এ ব্যাপারে আমরা একটা শৃঙ্খলা আনতে চাই। এ ব্যাপারে যদি সবাই সবকিছু নিয়ে আন্দোলন করি তাহলেতো হবে না। তাহলে দায়িত্বটা আমরা কিভাবে পালন করবো। কাজেই নাগরিক দায়িত্বটা সবার।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করে নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি শীর্ষক পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে মো. আবদুস সালাম আরও বলেন, মানুষের দেহের মুখমন্ডলটা সবাই পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করে, সবাই সুন্দর রাখার চেষ্টা করে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা হলো আমার মুখমন্ডল। যদি এটাকে আমি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখতে পারি তাহলেতো আমার নিজের কাছেও খারাপ লাগবে। এই বিষয়টাতে আমি সবার সহযোগিতা চাই। কোনোভাবেই সিটি করপোরেশন বা পুলিশের একার পক্ষে এ দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। ঢাকা মহানগরীর নাগরিক সব সুবিধা তখনই পাওয়া সম্ভব হবে যখন জনগণ এবং সিটি করপোরেশন ফিফটি ফিফটি কাজ করবে।
তিনি বলেন, ঢামেকের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে; তবে তা যেন রক্ষা করা যায়, তার জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
রাজপথে কেউ কিছু ফেলব না; এই শপথ নিতে হবে প্রতিটি নাগরিককে, তাহলেই ঢাকা শহরকে পরিষ্কার রাখা সম্ভব বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি আরও বলেন, চিকুনগুনিয়া, ডেঙ্গু আসার আগেই সবার নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে।