খেলাধুলার উন্নয়নে একসাথে কাজ করতে হবে : চসিক মেয়র
চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন
চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ৫ আগস্টের পর চট্টগ্রামে খেলাধুলা স্থবির হয়ে পড়েছিল। তখন আমি ক্রীড়া সংগঠকদেরকে ডেকে খেলাধুলা চালুর জন্য ব্যবস্থা করি। এখনো পুরোপুরি খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্ট চালু হয়নি। ফলে তৃণমূলের খেলোয়াড়রা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
নতুন নতুন প্রতিভা গড়ে উঠছে না। আমরা চাই সিজেকেএস আবারও সক্রিয় হয়ে উঠুক। খেলোয়াড়রা খেলুক, নতুন নতুন প্রতিভা উঠে আসুক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার খেলাধূলার উন্নয়নে নানা উদ্যো নিয়েছে।
ইতিমধ্যে নতুন কুড়িসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আমরা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ করার কাজ করছি। খেলাধূলার উন্নয়নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
বুধবার রাতে নগরীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের সম্মানে সিজেকেএস কাউন্সিলর আবুল হাসেম বক্করের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।
সিজেকেএস কাউন্সিলর দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিসিবি এ্যাডহক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু ও সিজেকেএস এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব হাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
বক্তব্য দেন সিজেকেএস ক্লাব সমিতির উপদেষ্টা হাফিজুর রহমান, সভাপতি এ্যাডভোকেট শাহীন আফতাব রেজা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দীন শামীম, চট্টগ্রাম ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান, সিজেকেএস কাউন্সিলর জি এম হাসান, তাহেরুল আলম স্বপন, ইঞ্জি. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম মামুন।
উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া অফিসার আবদুল বারী, সিজেকেএস কাউন্সিলর মোহাং শাহাজাহান, শাহাবুদ্দিন জাহাঙ্গীর, মশিউল আলম স্বপন, এনামুল হক, আলী হাসান রাজু, নাসির মিয়া, প্রবীন কুমার ঘোষ, জসিম আহমেদ, কাজী জসিম উদ্দিন, সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি, ইয়াছিন আরাফাত চৌধুরী পাবলু, রায়হান উদ্দীন রুবেল, সাবেক ফিফা রেফারি আবদুল হান্নান মিরন, ক্রীড়া সংগঠক বিপ্লব পার্থ, মোশারফ হোসেন লিটন, আজম খান, নূর জাহেদ বাবলুসহ আরও অনেকে।