ক্যাম্পাসে সহিংসতার প্রতিবাদে ই.শা ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি
ক্যাম্পাসে সহিংসতার প্রতিবাদে ই.শা ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি।। ছবিঃ সংগৃহীত।
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান সহিংস ছাত্ররাজনীতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও সহিংসতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবির পাশাপাশি দেশব্যাপী পদযাত্রা ও মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ।
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, পেশিশক্তির প্রদর্শন এবং সহিংস কর্মকাণ্ড শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জ্ঞানচর্চা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নিরাপদ ক্ষেত্র হওয়া উচিত উল্লেখ করে মুনতাছির আহমাদ বলেন, ‘বর্তমান বাস্তবতায় ছাত্ররাজনীতির নামে সহিংসতা ও ভীতির সংস্কৃতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অতীতের সহিংস ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধ করে প্রতিটি ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।’ এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের ওপরও জোর দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলন থেকে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও সহিংসতার প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বাদ জুমা রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে সন্ত্রাসবিরোধী পদযাত্রা এবং রোববার (২৬ এপ্রিল) দেশব্যাপী সব ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসবিরোধী মানববন্ধন।
এ সময় কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি খায়রুল আহসান মারজান, ইমরান হোসাইন নূর, সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীল, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম মিঠুনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা।