আমৃত্য লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামিক বিপ্লবকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন থেকে রক্ষায় আমৃত্য লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। বুধবার (৩ মে) দেশটির ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহল্লাহ খোমেনির মৃত্যুবার্ষিকী এবং খোরদাদ ১৫ গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে এ অঙ্গীকার করেছে সশস্ত্র বাহিনী।
সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর বলেছে, “সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকাণ্ড বিশ্বের সামনে ‘মানবাধিকারের ভণ্ড দাবিদারদের আসল চেহারা’ উন্মোচন করেছে। মিনাবের একটি স্কুলে তাদের হামলায় ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যা তাদের ‘শত শত অপরাধের’ মধ্যে অন্যতম।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ইরান হুমকি ও আগ্রাসনের মুখে পিছু হটবে না। সশস্ত্র বাহিনী ইসলামি বিপ্লবের আদর্শকে আমৃত্যু রক্ষা করবে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।”
১৯৮৯ সালের ৩ জুন ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সর্বোচ্চ নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি তেহরানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
তার মৃত্যুতে ইরানের সরকার ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়। ইরানের পাশাপাশি পাকিস্তান দশ দিনের, সিরিয়া সাত দিনের শোক এবং আফগানিস্তান, লেবানন এবং ভারত তিন দিনের শোক ঘোষণা করে।
খোমেনিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় এবং দক্ষিণ তেহরানের বেহেশত-ই জাহরা কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। ধারণা করা হয়, তার জানাজায় প্রায় ১ কোটি মানুষ অংশ নিয়েছিলে। যা ইরানের জনসংখ্যার এক-ষষ্ঠাংশ। তার জানাচা ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
সূত্র: আলজাজিরা