হাবিপ্রবিতে শিশুদের মাঝে জিয়া ফাউন্ডেশনের বৃক্ষ বিতরণ
সংগৃহীত
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫ তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শিশুদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ করেছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর ১২টায় হাবিপ্রবি স্কুলের মাঠে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধনকারী প্রায় পাঁচ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
বৃক্ষ বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচির সঞ্চালনা করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য অধ্যাপক মো. মহিদুল হাসান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তিনি কৃষি অর্থনীতির উন্নয়নে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব দিয়েছেন।
বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশকে সবুজ ও শ্যামল রাখতে এবং শিশুদের পরিবেশ সচেতন করে গড়ে তুলতে এই ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মাসব্যাপী এই কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানানো হয়।
এক শিশু শিক্ষার্থী জানায়, সে কৃষ্ণচূড়া গাছ নিয়েছে। ফুলটি তার খুব প্রিয়। সে জানায়, শিক্ষকরা আগে থেকেই গাছ দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অনেকগুলো গাছ পেয়েছে বলে সে আনন্দ প্রকাশ করে এবং বড় হয়ে নিজে গাছ লাগানোর ইচ্ছার কথা জানায়।
এক অভিভাবক বলেন, “এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুরা পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে। গাছ থেকে তারা অক্সিজেন, ছায়া, ফল ও সৌন্দর্য পাবে।” তিনি এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. এনামউল্ল্যা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর কবির এবং বৃক্ষরোপণ উপ-কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ফারুক হাসান।
এছাড়া, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্যসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক সাইফুল হুদা, অধ্যাপক মো. হাসানুজ্জামান, অধ্যাপক এস. এম. এমদাদুল হাসান, অধ্যাপক মো. আবু হাসান, অধ্যাপক মো. আদনান আল বাচ্চু, অধ্যাপক মো. মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া, অধ্যাপক মো. নওশের ওয়ান, অধ্যাপক মো. এরফান আলী খোন্দকার, অধ্যাপক মো. মামুনার রশীদ, অধ্যাপক মারুফ আহমেদ ও অধ্যাপক মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও অংশ নেন।