নেত্রকোণায় ‘নতুন কুঁড়ি’ বিজয়ীদের সংবর্ধনা

নেত্রকোণায় ‘নতুন কুঁড়ি’ বিজয়ীদের সংবর্ধনা

সংগৃহীত

নেত্রকোণা জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের কোর্স সমাপনী পরীক্ষা-২০২৫ এ উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র এবং ‘নতুন কুঁড়ি’ ২০২৫ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃক আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা ২০২৫’-এ নেত্রকোণা জেলা থেকে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

বিকেলে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান। 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুনমুন জাহান লিজার সভাপতিত্বে ও প্রশিক্ষক ও কবি পহেলী দের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন, জেলা কালচারাল অফিসার মো. আতিকুর রহমান।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন ‘নেত্রকোণা হলো ময়মনসিংহ বিভাগের কালচারাল রাজধানী। এখানের মাটিতে অসংখ্য গুণীজন, সাহিত্যিক ও সেলিব্রেটি জন্ম নিয়েছেন, যা দেশের খুব কম জেলাতেই দেখা যায়।’ 

তিনি বলেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির নিজস্ব অডিটোরিয়াম না থাকার বিষয়ে ‘ডিসি কনফারেন্সে আমি বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছি। এ বিষয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন নেত্রকোণা তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও ডিও লেটার দিয়েছেন। সর্বপরি, বর্তমানে অডিটোরিয়াম নির্মাণের কাজ ‘ফাস্ট ট্র্যাকে’ রয়েছে এবং খুব দ্রুতই আমরা এর ইতিবাচক ফলাফল পাবো।’

সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুনমুন জাহান লিজা বলেন, ‘প্রায় ১৭-১৮ বছর পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা পুনরায় শুরু হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় তৃণমূল থেকে আমাদের নেত্রকোণা জেলার সাত-আট জন শিশু অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে, যা একটি জেলার জন্য বিশাল প্রাপ্তি।’

বিশেষ বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও ‘কচি কাঁচার মেলা’র সংগঠক শ্যামলেন্দু পাল। 

তিনি বলেন, ‘১৯৬৫ সাল থেকে শিশুদের নিয়ে কাজ করছি। আজ শিল্পকলা একাডেমির নিজস্ব ভবন না থাকাটা অত্যন্ত কষ্টের।’ 

অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থী এবং নতুন কুঁড়ির বিজয়ীদের হাতে সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওয়াহিদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, প্রশিক্ষক উস্তাদ স্বপন কুমার সরকার, কবি তানভীর জাহান চৌধুরী, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অভিভাবক, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকরা।