পুনেতে ২৩ বছর পরে বাবার হত্যাকারীকে খুন
ফাইল ছবি।
এ যেন সিনেমার চিত্রনাট্য। ছেলেবেলায় বাবাকে খুন হতে দেখা বা শোনার স্মৃতি মাথায় নিয়েই বড় হয় কেউ কেউ। বুকে জ্বালিয়ে রাখে প্রতিশোধের আগুন। বড় হয়ে পিতার হত্যাকারীকে খুঁজে বের করে প্রতিশোধ নেয়।
সিনেমার খুব চেনা গল্প। সিনেমা নয়, বাস্তবে তেমনই এক প্রতিশোধের গল্পের মঞ্চায়ন হলো ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলায়।
গত ১১ জুলাই পুনে জেলার ভোর তহসিলের পুরোনো কাটরাজ সুড়ঙ্গের কাছে সঞ্জয় বাবুরাও কাডু-দেশমুখ নামে ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।
এরপর প্রযুক্তিগত প্রমাণ ব্যবহার করে মন্থন বৈদ্য এবং সৌরভ পরদেশীকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করে পুনে গ্রামীণ পুলিশের লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
গত সোমবার সিনিয়র পুলিশ ইন্সপেক্টর প্রমোদ ক্ষীরসাগর বলেন, উভয়কেই ১৪ জুলাই আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা স্বীকার করেছে যে, মিজান শেখ এবং সন্দীপ কোরি নামে আরও দুই সহযোগীর সাহায্যে তারা কাডু-দেশমুখকে হত্যা করেছে।
কাডু-দেশমুখকে হত্যার পেছনে একটি কারণ জানিয়েছে তারা।
২৩ বছর আগে ২০০৩ সালে তুচ্ছ বিবাদের জেরে মন্থনের বাবা দিনেশ বৈদ্যকে কাডু-দেশমুখ হত্যা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তখন মন্থনের বয়স ছিল মাত্র ছয় মাস।
অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর চেতন মাচালে জানান, মন্থন বছরের পর বছর ধরে তার বাবা হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষোভ পুষে রেখেছিলেন। কাডু-দেশমুখকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য অন্য আসামিদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিলেন।
তিনি জানান, কাডু-দেশমুখ যখন খুন হন, তখন তিনি অন্য একটি ফৌজদারি মামলায় জামিনে মুক্ত ছিলেন।