উপসাগরীয় দেশগুলোকে সতর্ক করলো ইরান

উপসাগরীয় দেশগুলোকে সতর্ক করলো ইরান

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইরানের ওপর হামলা চালাতে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়ার বিষয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে সতর্ক করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির বার্তা সংস্থা ফার্স তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে ইরানের ওপর হামলা করার জন্য নিজেদের ভূখণ্ড এবং সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করতে বাধা দেওয়া অঞ্চলের সরকারগুলোর একটি আইনি, ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব।’

তারা আরও বলেছে, ‘‘সামুদ্রিক অবরোধের ধারাবাহিকতা এবং ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তু, বেসামরিক এলাকা ও অবকাঠামোর ওপর হামলা একটি ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড’ এবং জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন। তাই ইরান তার বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে।’’

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ও তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

আরাগচির অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি ‘মার্কিন সামরিক বাহিনীর যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপের’ বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন।

একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইরান ‘তার জাতীয় সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা’ রক্ষায় প্রস্তুত রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের ‘দৃঢ় জবাব’ দেবে।

এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোকে দেওয়া ইরানের সতর্কবার্তার বিপরীতে একটি বিবৃতি দিয়েছে ইরাকের সরকার।

এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার যেকোনো প্রচেষ্টা ‘প্রতিহত করতে’ তাদের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ এড়িয়ে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরান যখন উপসাগরীয় দেশগুলোতে আক্রমণ চালাচ্ছে, ঠিক সেই সময় এই বিবৃতিটি সামনে এসেছে। সূত্র: আল-জাজিরা