যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে এই মুহূর্তে কোনো ধরনের কূটনৈতিক চুক্তিতে যেতে আগ্রহী নয় যুক্তরাষ্ট্র। উল্টো আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে ‘সব বিকল্পই খোলা রয়েছে’। বিশেষ করে আমেরিকার অর্থনৈতিক হাতিয়ারগুলো যে অত্যন্ত শক্তিশালী, সে কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি। তার এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি (অর্থমন্ত্রী) স্কট বেসেন্ট জানান, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্যই হলো এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা, যাতে তেহরান নিজেই বাধ্য হয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে।
নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও ইরানের পালটা হামলার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলারের বেশি বেড়েছে।
ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর পাল্টা আঘাতের দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
লারাক দ্বীপে হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত আমেরিকান বাহিনীর ওপর হামলা করার কথা জানিয়েছে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
শুধুমাত্র চলতি বছরের শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্তই ২০ আফগানকে ঝুলিয়েছে তেহরান।
হরমুজ প্রণালী এখনো বন্ধ রয়েছে এবং এটি দ্রুত খুলে দেওয়ার কোনো তাড়া ইরানের নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি।
যুক্তরাষ্ট্রের কড়া অবরোধ সত্ত্বেও থেমে নেই ইরানের অর্থনীতির চাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে জ্বালানি তেল বিক্রি করে ৭৫০ কোটি ডলার আয় করেছে ইরান।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।