২৫ ওয়ার্ডে বিনামূল্যে বর্জ্য সংগ্রহ করবে চসিক
ফাইল ছবি
নগরের পরিবেশ সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও কর্ণফুলী নদীর দূষণ রোধে ২৫টি ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে গৃহস্থালি বর্জ্য সংগ্রহের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
মঙ্গলবার নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে চসিকের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য গঠিত কমিটির ১০ম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমীন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমাসহ অন্যরা।
মেয়র বলেন, এই কার্যক্রমের জন্য নগরবাসীর কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হবে না। দীর্ঘমেয়াদে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব চট্টগ্রাম গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিদিন প্রায় একহাজার মেট্রিক টন বর্জ্য সংগ্রহের বাইরে থেকে যাচ্ছে। ফলে অনেকেই যত্রতত্র ময়লা ফেলছেন, যা নালা-নর্দমা ভরাট, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং কর্ণফুলী নদীর দূষণের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, বিনামূল্যে বর্জ্য সংগ্রহে বছরে হয়ত ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। কিন্তু এর সুফল দীর্ঘমেয়াদে নগরবাসী ভোগ করবে। অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৫০০ মেট্রিক টন বর্জ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হলে ভবিষ্যতে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে কোতোয়ালী, বায়েজিদ, বন্দর, পাহাড়তলী, হালিশহর, বাকলিয়া ও আকবরশাহ এলাকাকে ডেঙ্গুর রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় সকালে লার্ভিসাইড এবং বিকেলে অ্যাডাল্টিসাইড কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আরও ১৪টি বিশেষায়িত ফগার মেশিন সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।