রবীন্দ্রজয়ন্তীর প্রতিযোগিতায় ডাকসুর পুরস্কার বিতরণ

রবীন্দ্রজয়ন্তীর প্রতিযোগিতায় ডাকসুর পুরস্কার বিতরণ

সংগৃহীত

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কবিতা ও সংগীত—দুই বিভাগে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনের সভাকক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতায় কবিতা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী আল শাহরিয়ার। দ্বিতীয় হন কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থী ইয়াদুল ইসলাম এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থী ফারিহা খানম কলি।

সংগীত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থী সাজিন শাহরিয়ার সাদিফ। দ্বিতীয় হন ফজিলাতুন্নেছা হলের শিক্ষার্থী অর্পিতা দে এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থী সুস্মিত সাইফ আহমেদ।

অনুষ্ঠানে ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষার সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক। তার সৃষ্টিকর্ম বাংলা ভাষার সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলা ভাষার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সৃজনশীলতা আরো বিস্তৃত করতেই ডাকসুর উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা শুধু একাডেমিক শিক্ষায় নয়, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার মধ্য দিয়েও নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাক। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন আরও ব্যাপকভাবে অব্যাহত থাকবে।”

প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সুহাইল মাহদীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজসহ ডাকসু ও হল সংসদের বিভিন্ন সম্পাদক, সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।