টঙ্গীর মাজার বস্তির শতাধিক ঘরে মাদক কারবার, অসংখ্য সুড়ঙ্গ : পুলিশ

টঙ্গীর মাজার বস্তির শতাধিক ঘরে মাদক কারবার, অসংখ্য সুড়ঙ্গ : পুলিশ

সংগৃহীত ছবি

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে শতাধিক ঘরে মাদক কারবার হয়। এসব ঘরে রয়েছে অসংখ্য সুড়ঙ্গপথ।

এসব পথ দিয়ে অপরাধীরা পালিয়ে যায়। এসব ঘর উচ্ছেদ করে মাদকমুক্ত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া অভিযান শেষে রাত পৌনে ১১টায় টানা ৮ ঘণ্টা টঙ্গীর তুরাগ নদী ও নদীর তীরে অবস্থিত হাজী মাজার বস্তিতে অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে এসব কথা বলেন তিনি।

বেলায়েত হোসেন বলেন, আমাদের অপারেশন রিভার ব্যাংক-১ সমাপ্ত হয়েছে।

এ অভিযানে ২৯ আটক হয়েছে। তাদের মধ্যে মাদকসেবী ও মাদক কারবারি রয়েছেন। যাচাই-বাছাই করে যার যতটুকু অপরাধ, তার বিরুদ্ধে ততটুকু পরিমাণ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ অভিযানে অসংখ্য সুড়ঙ্গ পথ আবিষ্কারের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সব সুড়ঙ্গ পথ ভেঙে দেওয়া হবে।

মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে মাদক বস্তি ভেঙে দিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে।

পুলিশ জানায়, ঢাকার উত্তরা ও টঙ্গীর মাঝে তুরাগ নদীতে নৌকায় করে মাদকের কারবার হয় মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেলে অভিযান শুরু হয়। ঘটনাস্থল এলাকার সংশ্লিষ্ট ডিএমপি, জিএমপি ও নৌ-পুলিশের যৌথ অংশ গ্রহণে তুরাগ নদীর পাড়ে পিংকি গার্মেন্টসের পিছনে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ মাদক বিক্রেতা ও মাদকাসক্ত ২৯ জন আটক করা হয়। এসময় নদীর তীর দিয়ে পালিয়ে গেছে অনেক আসামি। পালানো আসামিদের পিছু নিয়ে পুলিশ হাজী মাজার বস্তিতে নতুন সুড়ঙ্গ পেয়ে যায়।

পুলিশের ধারণা, সুড়ঙ্গের ভেতরে আরো আসামি থাকতে পারে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের দিকনির্দেশে মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস), গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ এ যৌথ অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন। এ ছাড়া জিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার, (ক্রাইম দক্ষিণ) শফিকুল ইসলাম, ডিএমপি পুলিশের পক্ষে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তরা জোন এবং নৌ-পুলিশের পক্ষে নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঢাকা রিজিওন) এ অভিযানে অংশ নেন।