ধানমন্ডিতে প্রাইভেট কারে আগুন

ধানমন্ডিতে প্রাইভেট কারে আগুন

সংগৃহীত

রাজধানীর ধানমন্ডিতে সাতসকালে একটি প্রাইভেট কারে আগুন দিয়েছে অবরোধকারীরা। আজ বুধবার (১৫ নভেম্বর) সকালে ধানমন্ডি-২৭ নম্বরে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কারও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

একদিন বিরতির পর বুধবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে পঞ্চম ধাপে আবারও বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে এ আন্দোলনে শরিক দলগুলোও অংশ নিচ্ছে। এ কর্মসূচি শুরুর আগে মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) রাতে রাজধানীতে চারটি বাসে আগুন দিয়েছেন অবরোধকারীরা।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, রাত ১১টার দিকে মিরপুর বেড়িবাঁধের দ্বীপনগর এলাকায় শুকতারা পরিবহনের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে কল্যাণপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

এর আগে, রাত সাড়ে ৯টায় মিরপুর ১০ নম্বরে বিআরটিসির একটি বাসে আগুন দেন অবরোধকারীরা। খবর পেয়ে মিরপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এছাড়া রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরপুর ১ নম্বরের বেড়িবাঁধ এলাকায় মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দুটি বাসে আগুন দেন অবরোধকারীরা।

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশে পুলিশ হামলার অভিযোগ করে ২৯ অক্টোবর সারা দেশে হরতাল ডাকে দলটি। পরে সেই হরতালে সমর্থন জানান জামায়াতে ইসলামী।

একদিন বিরতি দিয়ে ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত টানা তিনদিন সর্বাত্মক অবরোধ ডাকে দল দুটি। পরে দ্বিতীয় দফায় ৫ থেকে ৬ নভেম্বর এবং তৃতীয় দফায় ৮ থেকে ৯ নভেম্বর অবরোধের ডাক দেয় বিএনপি-জামায়াত। পরে তৃতীয় দফা অবরোধের শেষদিন বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন করে ১২ নভেম্বর ও ১৩ নভেম্বর অবরোধের ডাক দেয়। একদিন বিরতির পর বুধবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে পঞ্চম ধাপে আবারও বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন রুহুল কবির রিজভী।

এসব কর্মসূচি চলাকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর গ্রেপ্তারের বাইরে থাকা নেতারা আত্মগোপনে রয়েছেন।