মানিকগঞ্জে ৯ ডাকাত গ্রেফতার, নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংঙ্কার উদ্ধার

মানিকগঞ্জে ৯ ডাকাত গ্রেফতার, নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংঙ্কার উদ্ধার

ছবিঃ সংগৃহীত।

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে একটি ডাকাতি মামলার ৯ আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ও কয়েকদিন আগে পৃথক ভাবে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে ডাকাতিরর কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র ও নগদ টকাসহ লুন্ঠিত মালামালের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো-উপজেলার ওয়াইজনগর গ্রামের মৃত সাদেক খানের ছেলে আন্ত জেলা ডাকাত দলের সদস্য আব্দুল কুদ্দুস (৫০) ও পর্বত খানের ছেলে মো: আরমান খান (৩৫), মৃত সফিজ উদ্দীনের ছেলে মো: রহিম উদ্দীন (৩৬), নয়া বাড়ি গ্রামের আরশেদ আলীর ছেলে আল আল-আমীন (২৪), বাউদিপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে শাহীনুর (২৯), ছয়ানি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মো: মিজান, চর মাধবপুর গ্রামের মো: ফারুক হোসেনের ছেলে সোহাগ, মৃত হামিদ আলীর ছেলে মো: মনির হোসেন ও ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সাংগর গ্রামের মৃত আজহার সরদারের ছেলে মিরাজ সরদার (৩৯)। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানান থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ গভীর রাতে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের কমলনগর গ্রামের প্রবাসী উজ্জল সন্যাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা নগদ ৮৫ হাজার টাকা ও ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ২১ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এঘটনায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে থানায় মামলা করেন উজ্জল সন্যাসীর স্ত্রী পূজা সরকার। এরপর ডাকাতদের গ্রেফতারে চিরুনি অভিযান চালান থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামরুল ইসলাম।

থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রথমে আন্ত জেলা ডাকাত দলের সদস্য আব্দুল কুদ্দুস ও আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যর ভিত্তিতে গত ১০ এপ্রিল দিবাগত রাত ও এর আগে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির কাজে জড়িত আরো ৭ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা আদলাতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র ও লুন্ঠিত ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ তিন লাখ ৯৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। বাকি মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।তিনি আরও জানান, ৪ জনকে শনিবার দুপুরে ও আর ৭ জনকে কয়েক দিন আগে আদালতের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।