চীনের সঙ্গে শিক্ষা-গবেষণায় সিকৃবির নতুন উদ্যোগ

চীনের সঙ্গে শিক্ষা-গবেষণায় সিকৃবির নতুন উদ্যোগ

সংগৃহীত

চীনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা শেষ করে দেশে ফেরা সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষক-গবেষকদের সংগঠন ‘চাইনিজ ইউনিভার্সিটিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব সিলেট অ্যাগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি’ (সিইউএএএসএইউ) বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি বিনিময় বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। সংগঠনটির বার্ষিক সভায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিকৃবির কৃষি অনুষদে সংগঠনটির বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি বিনিময় বাড়ানোসহ সংগঠনটির ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

সংগঠনটির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন সিকৃবির কৃষি রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান এবং কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক দিলারা আক্তার।

সিইউএএএসএইউ-এর সদস্যরা চীনের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের (সিএএস) গবেষণা প্রতিষ্ঠানে মাস্টার্স, পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল পর্যায়ে শিক্ষা ও গবেষণা সম্পন্ন করেছেন। তাদের অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং চীনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গড়ে ওঠা একাডেমিক যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে সিকৃবির শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান বলেন, “চীনে অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক একাডেমিক যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে সিকৃবির শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।”

সমন্বয়ক অধ্যাপক দিলারা আক্তার বলেন, “আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো চীনের সঙ্গে গবেষণার মেলবন্ধন গড়ে তোলা এবং গবেষণা উপকরণ ও জ্ঞান বিনিময় নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে সিকৃবির শিক্ষার্থীরা যৌথ গবেষণা বিনিময় কর্মসূচি, ভাষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।”

তিনি আরো জানান, চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে একটি শিগগিরই চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি চীনে অবস্থানরত সিকৃবির প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে সক্রিয় অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোক্তারা জানান, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে চীনা দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হবে। এ লক্ষ্যে শিগগিরই ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসে সংগঠনটির কার্যক্রম ও পরিকল্পনা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানো হবে।