ওয়ানডে বিশ্বকাপ টিকিটের চাহিদার শীর্ষে পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ
ফাইল ছবি
আগামী বছরে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট নিয়ে প্রাথমিক চাহিদার ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রতীক্ষিত পাকিস্তান-ভারত ম্যাচটিই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। এই ম্যাচের জন্য ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে।টিকিটের সামগ্রিক চাহিদাও প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আইসিসির বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলোর জন্য তিন দিনেরও কম সময়ে ১১ লাখেরও বেশি অনুরোধ বা আবেদন জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান-ভারত ম্যাচের জন্যই সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে। ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যকার ‘সুপার ৭’ পর্যায়ের ম্যাচটিও ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। এর জন্য প্রায় ৭৮ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা-ভারত ম্যাচের জন্য ৯২ হাজারের বেশি এবং ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের জন্য ৮৬ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ২১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটিও বেশ আগ্রহ জাগিয়েছে; এর জন্য প্রায় ৬৯ হাজার টিকিটের আবেদন রেকর্ড করা হয়েছে।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেছেন, ৪৮ ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ের মধ্যে ১০ লাখেরও বেশি আবেদন জমা পড়া টুর্নামেন্টটির ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক জনপ্রিয়তারই প্রমাণ। তিনি বলেন, আইসিসির বড় ইভেন্টগুলো এখন কেবল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার গণ্ডি ছাড়িয়ে বিভিন্ন অঞ্চল ও সংস্কৃতির মানুষকে একত্রিত করার মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে নিজেকে মেলে ধরেছে।
আয়োজক কমিটির প্রধান নির্বাহী কন্দিসা এনগোনায়াও টিকিটের এই ব্যাপক চাহিদাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভক্তদের এই সাড়া টুর্নামেন্টটি সরাসরি উপভোগ করার প্রবল আকাঙ্ক্ষাকেই প্রতিফলিত করে। টিকিট বরাদ্দের লটারির (ব্যালট) জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া ২১ নভেম্বর রাত ১১:৫৯ মিনিট (সেন্ট্রাল আফ্রিকা সময়) পর্যন্ত চালু থাকবে। নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং লটারিতে অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীদের কোনো অর্থ জমা দিতে হবে না।
ভক্তরা প্রতিটি ম্যাচের জন্য একবার করে আবেদন করতে পারবেন এবং একাধিক ম্যাচের জন্যও আবেদন করা যাবে। লটারি প্রক্রিয়াটি ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে পরিচালিত হবে না। অর্থাৎ, আবেদনের সময়ের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ কম বা বেশি হবে না।
কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচের জন্য উপস্থিতি টিকিটের সংখ্যার চেয়ে আবেদনের সংখ্যা বেশি হলে লটারির মাধ্যমে সফল আবেদনকারীদের নির্বাচন করা হবে। সফল ও ব্যর্থ উভয় ধরনের আবেদনকারীকেই নিবন্ধনের সময় দেওয়া ইমেইল ঠিকানার মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।