সব উপজেলায় সরকারের জরুরি নির্দেশনা

সব উপজেলায় সরকারের জরুরি নির্দেশনা

ছবিঃ সংগৃহিত।

দেশের সব উপজেলা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে কার্যবিবরণীর অনুলিপি সরকার ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। একই সঙ্গে কার্যবিবরণীতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম ও উপজেলা পরিষদের ন্যস্ত বিভাগগুলোর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি তুলে ধরতে বলা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা-২ শাখা থেকে দেশের সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসকের কাছে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. মোজাম্মেল হক রাসেল স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮-এর ২৭(৪) ধারায় পরিষদের প্রত্যেক সভার কার্যবিবরণীর একটি অনুলিপি সভা অনুষ্ঠানের ১৪ দিনের মধ্যে সরকার ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যের কাছে পাঠানোর বিধান রয়েছে।

তবে নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অধিকাংশ উপজেলা পরিষদ থেকে আইন অনুযায়ী নিয়মিতভাবে সভার কার্যবিবরণী সরকারের কাছে পাঠানো হচ্ছে না। ফলে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণে সমস্যা হচ্ছে।

চিঠিতে বিশেষভাবে ছাদভিত্তিক সোলার প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়।

এ কারণে আইন অনুযায়ী নিয়মিত উপজেলা পরিষদের সভার কার্যবিবরণী পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কার্যবিবরণীতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি উপজেলা পরিষদের ন্যস্ত বিভাগগুলোর সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতির তথ্য উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।

অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সচিত্র প্রমাণক সংযুক্ত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রঙিন প্রিন্টে ছবি পাঠাতে হবে। কোনো কাজ বাস্তবায়নের আগে ও পরে অবস্থার তুলনামূলক চিত্র থাকলে তা পাশাপাশি সংযুক্ত করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, উপজেলা পরিষদের সভার কার্যবিবরণী নিয়মিতভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। পাশাপাশি এর হার্ডকপিও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর পাঠাতে হবে।

আইন অনুযায়ী উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি সরকারের নজরে আনা এবং অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন তদারকি নিশ্চিত করতেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।