ভারতের আদানি গ্রুপের সাথে বিদ্যুৎ আমদানির ‘অস্বচ্ছ ও বৈষম্যমূলক’ চুক্তি পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনে বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
আদানি
ভারতের অর্থনৈতিক বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিশ্চিত করেছে, গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তারা বিলিওনিয়ার গৌতম আদানির মালিকানাধীন কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।
আগামী মাসেই দেশে আসছে আদানির বিদ্যুৎ। এই বিদ্যুতের দাম নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলেও জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
মাত্র তিন দিনের মধ্যেই আরো বড় পতন। বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের ২০ জনের তালিকা থেকেও ছিটকে গেলেন ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি।
মার্কিন শর্ট-সেলার হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের একটিমাত্র প্রতিবেদন। আর তাতেই দৃশ্যপট পাল্টে গেছে।
সপ্তাহখানেক আগে যে আদানি গোষ্ঠীর সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সম্পর্ক একটি মধুর দিকে এগোচ্ছিল। দরপত্রের মাধ্যমে তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দরের বরাত পেয়েছিল আদানি গোষ্ঠী।
বটগাছ পড়লে আশপাশের মাটি কাঁপবেই। আদানি গোষ্ঠীর স্টকে ধসের আবহে পুরনো প্রবাদ আরো যেন প্রাসঙ্গিক। শুধু সংস্থার নয়, বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তির শেয়ারে ধস নামায় কোটি কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে বিনিয়োগকারীদেরও। সার্বিকভাবে আদানিদের স্টকে এই ধাক্কা শেয়ারবাজারকে বেসামাল করে দিতে পারে।
ভারতের ঝাডখণ্ডে নির্মাণাধীন আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আগামী মার্চ নাগাদ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ পাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
মাত্র গত সপ্তাহেই ব্লুমবার্গ বিলিওনেয়ার র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের তিন নম্বর ধনী ব্যক্তি হিসেবে উঠে এসেছেন ভারতের শিল্পপতি গৌতম আদানি।বিলিওনেয়ার র্যাঙ্কিংয়ে তার অবস্থান এখন স্পেসএক্সের ইলন মাস্ক ও অ্যামাজনের জেফ বেজোসের ঠিক পরেই।ধনসম্পত্তির বিচারে ভারতের এই শিল্পপতির অবস্থান এমনকি বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেটের উপরে।