গৌতম আদানি হিন্ডেনবার্গ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি পেয়েছেন দুদিন আগেই। এবার আরও একটি সুখবর পেলেন। মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে ফের ভারত ও এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তকমা পেলেন তিনি।
আদানি
ফের আগের গতিতে দৌড়াতে শুরু করেছে ভারতের আদানি গোষ্ঠী।
ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত দুই ব্যক্তি গ্রুপের কোম্পানিগুলো থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের স্টক কিনেছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে।
উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে ভারতের আদানি গ্রুপ বাংলাদেশে আরো ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত রফতানির জন্য সরকারকে একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে।
হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর ভারতজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। রাতারাতি ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকা থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন গৌতম আদানি। হু হু করে কমতে শুরু করেছিল তার সম্পদের পরিমাণ।
বিনিয়োগ গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট প্রকাশের পর জানুয়ারিতে কার্যত ধস নেমেছিল আদানি গ্রুপের শেয়ারগুলোতে। রেকর্ড ক্ষতির মুখে পড়ে ভারতের ধনকুবের গৌতম আদানির।
হঠাৎ ঝড়ের কারণে সঞ্চালন লাইন ট্রিপ করায় বিদ্যুৎ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। বুধবার (৭জুন) বিকাল পৌনে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। চলমান বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেই ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেল।
‘অসম’ চুক্তির শর্ত নিয়ে গোপনীয়তা, কয়লার মান ও দামের সীমা নিয়ে ধোঁয়াশা, উৎপাদন খরচের হার, ক্যাপাসিটি চার্জ এবং ঝুঁকির দায়ের শর্ত নিয়ে প্রশ্ন থাকার পরও ভারতের আদানি গ্রুপ থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানির যে চুক্তি করেছে, তার কঠোর সমালোচনা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আদানির সাথে যেই চুক্তি করা হয়েছে সেটা দেশ বিরোধী, জনগণ বিরোধী; অবিলম্বে এই চুক্তি বাতিল করতে হবে।বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশান-২ এ একটি হোটেলে গোল টেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের সাথে সম্পর্কিত যেকোনো নিয়ন্ত্রক ব্যর্থতা তদন্ত করার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।