ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ৮ দিন বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে মাছ রপ্তানির মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।
আমদানি-রপ্তানি
কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর ১০ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা কর হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাহাট স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শনিবার (২৯ মার্চ) থেকে টানা ৯ দিন হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ে সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত অন্য দিনগুলোতে বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে আগামী ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত কাস্টম হাউস বা স্টেশনগুলোর আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সীমিত আকারে চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব রোর্ড (এনবিআর)।
ভারতে হোলি উৎসব উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আজ সকাল থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে আগামীকাল রোববার থেকে যথারীতি এই পথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে।
ভারতে হোলি বা দোল উৎসবের সরকারি ছুটিতে শনিবার যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। তবে বেনাপোল-পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
ভারতে দোলযাত্রা বা দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় আগামী শনিবার (১৫ মার্চ) বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা পাথরের দাম কমানোর দাবিতে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-ভুটান থেকে ছয়দিন ধরে পাথর আমদানি বন্ধ রেখেছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরাও বুড়িমারী দিয়ে বাংলাদেশ থেকে অন্যান্য পণ্য নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। শুধুমাত্র পচনশীল পণ্য ছাড়া গত ছয়দিন ধরে অন্যান্য পণ্য আমদানি-রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
আমদানি-রপ্তানিতে শুল্কায়নের ক্ষেত্রে সাতটি সংস্থার ইস্যুকৃত সার্টিফিকেট, লাইসেন্স ও পারমিট বাংলাদেশ সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেমের (বিএসডব্লিউ) মাধ্যমে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ভারতের ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।