বিধ্বংসী সুপার সাইক্লোন আম্ফানে ২৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় প্রবল গতিতে সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি। সারারাত ধরে চলে এর তাণ্ডব। এ সময় ৯ জেলায় গাছ ভেঙে, দেওয়াল চাপা পড়ে এবং পানিতে ডুবে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
আম
আম্পানের কারণে দেশের দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তরের ২৫ জেলার ১ কোটি ৫০ লাখ গ্রাহক ঝড়ের আগেই বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এসব জেলার বেশির ভাগ স্থানে ঝড় শুরু হওয়ার ১২
ঘূর্ণিঝড় আম্পানে প্রাথমিক হিসেবে বাংলাদেশের ১১০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।
ক্রমশই শক্তি বাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের আরো কাছে চলে এসেছে ‘অতি মারাত্মক’ ঘূর্ণিঝড় আমফান (প্রকৃত উচ্চারণ উম্পুন)।
ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। বুধবার (২০ মে) সকাল ৬টায় মহাবিপদ সংকেত জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।
ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।
ঘুর্ণিঝড় ‘আম্পান’ পরবর্তী জরুরি উদ্ধার, ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তাসহ যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন স্তরের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নৌবাহিনী।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে সুপার সাইক্লোন আম্পান আজ (মঙ্গলবার) সকাল ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৯০ কিলোমিটার, মংলা থেকে ৭৮৫ ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিলো
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে উপকূলীয় ঝুকিপূর্ণ এলাকাসমূহ থেকে লোকজনকে বিভিন্ন সাইক্লোন সেল্টার স্টেশনে নেয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।